
শেষ আপডেট: 18 November 2020 18:30
বিশ্বের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে বাছাই করতে নির্দিষ্ট কিছু সূচক আছে টাইমস হায়ার এডুকেশনের। যেমন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির পঠনপাঠনের মান কেমন, কোনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আছে কিনা, শিক্ষকদের যোগত্য, পড়ানোর ধরন, মেধা, শিক্ষক ও পড়ুয়াদের মধ্যে সম্পর্ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্টাফদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কী ধরনের গবেষণা চলছে, আধুনিক সময়ের প্রেক্ষিতে সেই সব গবেষণার গুরুত্ব কতটা ইত্যাদি নানা বিষয়ের উপর সমীক্ষা করে তবেই সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাছাই করে তালিকা প্রকাশ করে টাইমস। আর এই তালিকা দেখেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেছে নেন পড়ুয়ারা। কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি থাকা মানেই তার গুরুত্ব কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
কলিঙ্গ ইনস্টিটিউটকে বেছে নেওয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পঠনপাঠনের ধরন ও কাজের পরিবেশের উপর ভিত্তি করে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পড়ুয়া ও অশিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক খুবই ভাল। শিক্ষকরা নিজেদের স্বার্থ না দেখে শিক্ষার মান বাড়ানোর চেষ্টা করেন। পড়ুয়াদের পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়া হয়। নম্বরের দৌড়ের বদলে মেধাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় যা আজকের সময় খুবই জরুরি। কলেজ ক্যাম্পাসের পরিবেশও সুন্দর।
কলিঙ্গ ইনস্টিটিউটের পথ চলা শুরু হয়েছে ১৯৯২ সাল থেকে। ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োসায়েন্স, আইন, রুরাল ম্যানেজমেন্ট, ফ্যাশন, ফিল্ম, জার্নালিজম সবই পড়ানো হয় এই ইনস্টিটিউটে। এত কম সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়ে খুবই খুশি কর্ণধার অচ্যুত সামন্ত। বলেছেন, এখানে ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে বাঁধন আছে। পড়ুয়াদের প্রতিযোগিতায় ঠেলে দেওয়ার বদলে, মেধার মান উন্নতির দিকেই নজর দেন শিক্ষকরা। পড়ুয়াদের লক্ষ্য স্থির করে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার রাস্তা দেখানো হয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও পঠনপাঠনের মানের ভিত্তিতে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট।