
শেষ আপডেট: 25 November 2019 08:25
কমল নাথ মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে তাঁর মধ্যপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করার দাবি তুলে আসছেন জ্যোতিরাদিত্যের অনুগামীরা। কিন্তু কমল নাথ তো বটেই, দিগ্বিজয় সিংও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে চাইছেন অর্জুন সিংয়ের ছেলে অজয় সিংকে। দিগ্বিজয় নিজে এখন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক, তিনি মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং মধ্যপ্রদেশে অর্জুন সিং মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতা ও গোয়ালিয়রের ‘শেষ রাজা’ মাধবরাও সিন্ধিয়ার ছেলে জ্যোতিরাদিত্য। তিনি নিজে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ। তাংর পিসি বসুন্ধরা রাজে বিজেপি নেত্রী ও রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
কংগ্রেসের তরুণ নেতারা প্রায়ই অভিযোগ করে থাকেন, কংগ্রেসের তরুণ নেতাদের উত্থানের পথ বন্ধ করে দেন বরিষ্ঠ নেতারা। হরিয়ানা কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি অশোক তানওয়ার দল ছাড়ার সময়ই জানিয়েছিলেন যে, তরুণদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ একেবারে শেষ করে দিচ্ছেন বরিষ্ঠ নেতারা।
জ্যোতিরাদিত্য যাই বলুন না কেন, তাঁর এই আপাত ভাবে ছোট্ট পদক্ষেপে কিছুটা হলেও উদ্বিগ্ন তাঁর দল।
জ্যোতিরাদিত্য নিজেও কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে রাহুল রাহুল গান্ধী ইস্তফা দেওয়ার পরে তিনিও ইস্তফা দেন। তবে জ্যোতিরাদিত্যের পদত্যাগ নিয়ে কখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে সরিয়ে সরকার গঠন করে কংগ্রেস। দুই রাজ্যেই মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন দুই তরুণ নেতা যথাক্রমে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও সচিন পাইলট। দুই রাজ্যেই মুখ্যমন্ত্রী হন কংগ্রেসের দুই প্রবীণ নেতা। দর কষাকষির পরে সচিন হন উপমুখ্যমন্ত্রী। তখন শোনা গিয়েছিল, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে, রাহুল গান্ধী মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক পাবেন জ্যোতিরাদিত্য। কিন্তু নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয় হয় কংগ্রেসের। নিজের কেন্দ্রে হেরে যান জ্যোতিরাদিত্যও।