
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 15 October 2024 15:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার দুর্ভোগ শুরু বেসরকারি হাসপাতালেও। আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চেয়ে জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে সোমবার সকাল ৬টা থেকে প্রতীকী কর্মবিরতি শুরু করেছেন চিকিৎসকদের অন্যতম বড় দুটি সংগঠন হেলথ কেয়ার প্রফেশনালস ও ফেডারেশন অফ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। চলবে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত, অর্থাৎ টানা আটচল্লিশ ঘণ্টা।
অন্যদিকে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফে মঙ্গলবার দেশজুড়ে ১২ ঘণ্টা প্রতীকী অনশনের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
যার জেরে কলকাতা-সহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে সোমবার থেকে জরুরি পরিষেবা বাদে বেশিরভাগ হাসপাতালের ওপিডি (আউট পেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট) পরিষেবা বন্ধ ছিল। বাতিল করা হয় পূর্ব নির্ধারিত অপারেশনও। ফলে পুজোর পরে চিকিৎসা করাতে গিয়ে এবার বেসরকারি ক্ষেত্রেও দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
জানা যাচ্ছে, সোমবারের পর মঙ্গলবারও জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সব পরিষেবা বন্ধ রয়েছে অ্যাপোলো, মণিপাল, মেডিকা, আর এন টেগোর, ফর্টিস, পিয়ারলেসের মতো কলকাতার একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল। আংশিক কর্মবিরতিতে নেমেছে উডল্যান্ডস, সিএমআরআই, বিএম বিড়লা, কোঠারি এবং বেহালার নারায়ণা স্পেশালিটি হাসপাতালও। ফলে সামগ্রিকভাবে ব্যাহত বেসরকারি চিকিৎসা পরিষেবা।
আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চেয়ে গত ৫ অক্টোবর থেকে ১০ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সোমবার স্বাস্থ্য ভবনে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পরও মেলেনি সমাধান। জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে ১০ দফা দাবি না মেটা পর্যন্ত অচলাবস্থা চলবে বলেই জানিয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-সহ চিকিৎসক সংগঠনগুলি। তাঁদের কথায়, সরকারের সদিচ্ছার অভাবেই এই জটিল পরিস্থিতি।
যদিও সোমবারের বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ স্পষ্টাস্পষ্টি জানিয়েছিলেন, ১০টির মধ্যে ৭টি দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। বাকি তিনটি পূরণের ক্ষেত্রে যেভাবে সময়মীসা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে, সরকারি কাজে সেটা সম্ভব নয়।