
শেষ আপডেট: 19 April 2023 11:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (primary teacher recruitment) পরীক্ষায় যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে অন্যায়ভাবে চাকরি দেওয়া হয়নি, এমনটাই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক চাকরিপ্রার্থী। সেই মামলায় বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় (justice Abhijit ganguly) অবিলম্বে ওই প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা ডিপিএসসিকে। তাঁরই নির্দেশে পরীক্ষা দেওয়ার ৯ বছর পর চাকরি পেতে চলেছেন অম্বিকা দাস গঙ্গোপাধ্যায়।
জানা গেছে, ২০০৯ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন অম্বিকা দাস গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা হয় ২০১২ সালে। তাতে পাশ করার পর ইন্টারভিউও হয় ২০১৪ সালে। সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ২০২১ সালে প্যানেল প্রকাশিত হয়। দেখা যায়, সেই প্যানেলে নাম নেই অম্বিকা দাস গঙ্গোপাধ্যায়ের।
এতেই সন্দেহ হয় তাঁর। অম্বিকা নিশ্চিত ছিলেন, তিনি যেরকম পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউ দিয়েছেন, তাতে তিনি চাকরি পাওয়ার জন্য যোগ্য এবং প্যানেলে তাঁর নাম থাকার কথা। এরপরেই আরটিআই (রাইট টু ইনফরমেশন) করেন তিনি। তাতে দেখা যায়, প্যানেলে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে শেষ যাঁর নাম রয়েছে, তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৯.৮৪। এদিকে অম্বিকার প্রাপ্ত নম্বর ১৫.৯১, যা কিনা প্রায় দ্বিগুণ। তাঁর সন্দেহ সত্যি প্রমাণিত হওয়ায় কলকাতা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন অম্বিকা।
সেই মালাতেই বুধবার জয় পেলেন তিনি। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সবকিছু খতিয়ে দেখার পর জানিয়েছেন, অম্বিকা দাস গঙ্গোপাধ্যায় একজন যোগ্য চাকরিপ্রার্থী। তাঁকে অবিলম্বে চাকরি দেওয়ার জন্য উত্তর ২৪ পরগনা ডিপিএসসিকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও জীবন থেকে অতিরিক্ত ২টো বছর নষ্ট হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তারপরেও আদালতের রায়ে স্বভাবতই অত্যন্ত খুশি অম্বিকা দাস গঙ্গোপাধ্যায়।
ইদের আগে নোটিস চাই, মাদ্রাসা চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভ হাজরা মোড়ে, নামাজ রাস্তাতেই