
শেষ আপডেট: 27 August 2020 08:31
বিতর্কিত চিঠিতে অন্যতম স্বাক্ষরকারী তথা কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল এদিন টুইট করে উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন। তিনি লেখেন, "উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের উচিত ছিল বিজেপিকে টার্গেট করা। দুঃখজনক ব্যাপার হল, তারা জিতিনপ্রসাদকে টার্গেট করেছে। এইভাবে তারা শক্তিক্ষয় করছে।" বিতর্কিত চিঠিতে আরও এক স্বাক্ষরকারী মণীশ তেওয়ারি একটি টুইট করে বলেছেন, বিচক্ষণ মন্তব্য করেছেন কপিল সিব্বল।
গত ৭ অগাস্ট কংগ্রেসের প্রথম সারির ২৩ জন নেতা হাইকম্যান্ডের উদ্দেশে চিঠি লেখেন। তাতে বলা হয়, কংগ্রেসের শীর্ষস্থানে এমন কাউকে চাই যিনি সর্বক্ষণ দলের জন্য সময় দেবেন। যাঁকে দলের কর্মীরা মাঝে মাঝে দেখতে পাবে। এই চিঠিকে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হিসাবেই দেখছেন অনেকে।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ছিলেন প্রথম সারির কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল, শশী তারুর, গুলাম নবি আজাদ, পৃথ্বীরাজ চৌহান, বিবেক তানখা ও আনন্দ শর্মা। চিঠিতে লেখা হয়েছে, কংগ্রেস যৌথ নেতৃত্বে বিশ্বাসী। গান্ধী পরিবারকেও সেই নেতৃত্ব মেনে চলতে হবে।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস থেকে যে আর্জি জানানো হয়েছে, তাতে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার সায় আছে কিনা জানা যায়নি। হাইকম্যান্ডের তরফে তিনিই উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্বে আছেন।
উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে একমাত্র জিতিনপ্রসাদ বিতর্কিত চিঠিতে সই করেছিলেন। তাঁদের পরিবার আগেও গান্ধী পরিবারের বিরোধিতা করেছে। জিতিনপ্রসাদের বাবা জিতেন্দ্র প্রসাদ একসময় কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। সনিয়া অবশ্য জিতিনপ্রসাদকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেন। পরে তাঁকে কেন্দ্রে মন্ত্রীও করেছিলেন।
২০১৯ সালের ভোটেও জিতিনপ্রসাদ কংগ্রেসের তরফে লোকসভা ভোটের প্রার্থী হন। কিন্তু ভোটের আগে শোনা যায়, তিনি দল ছাড়বেন। নিজেপিতে যোগ দেবেন। জিতিনপ্রসাদ অবশ্য একথা 'গুজব' বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন।