
শেষ আপডেট: 11 September 2023 17:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের তিনতলা থেকে পড়ে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় (Jadavpur University Student Death) এখনও পর্যন্ত ১২ জন জেলবন্দি। ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় তাঁরা কতটা যুক্ত, আদৌ তাঁরা দোষী কিনা, তা এখনও তদন্ত সাপেক্ষ। পুলিশ ঘটনার এক মাসের মাথায় এই ঘটনায় পকসো আইনের ধারা যুক্ত করে পুলিশ। সেই ধারা যুক্ত হওয়ার পর সোমবার ধৃতদের আদালতে আনা হয়। সেখানেই এক ধৃতকে সপাটে চড় মারেন এক মহিলা আইনজীবী।
আদালত চত্বরে এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। যদিও চড় মারা নিয়ে কোনও অনুতাপ নেই রমা ঘোষ নামে ওই আইনজীবীর। কেন মারলেন, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে ওই আইনজীবী জানান, 'বেশ করেছি মেরেছি। ঠিক হাতের সুখ হল না। এইসব ছেলেদের জামাই আদর করে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে।'
গত ৯ অগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) মেন হস্টেলের এ-২ ব্লকের তিনতলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে তাদের ছেলেকে রীতিমতো র্যাগিং করা হয়েছে। সেইসঙ্গে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার পর তার বগুলার বাড়িতে দেখা করতে যায় রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন। সাক্ষাৎ শেষে কমিশন চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী বলেন, 'ছেলেটির বয়স এখনও ১৮ বছর হয়নি। যেহেতু ওকে উলঙ্গ অবস্থায় পাওয়া গেছিল এবং শরীরের নানা জায়গায় সিগারেটের ছ্যাঁকা পাওয়া গেছে, তার উপর ও বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছিল, ওকে সমকামী বলে উত্ত্যক্ত করা হচ্ছে– সব মিলিয়ে এটা যৌন নির্যাতনের পর্যায়ে পড়ে।'
পুলিশ গত শনিবার ধৃতদের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়। সেখানে পকসো আইনের ধারা যোগ করেছে পুলিশ। সোমবার জেল থেকে তাঁদের আদালতে নিয়ে আসে পুলিশ। প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে একে একে যখন ধৃতদের আদালতের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তখন রমা নামের ওই আইনজীবী এমন ঘটনা ঘটান। জানা গেছে, সত্যব্রত রায় নামে এক ধৃতের গায়ে হাত তোলেন রমা।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গিতে প্রাণ গেল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের! এলাকায় বাড়ছে মশা, আতঙ্কে স্থানীয়রা