
শেষ আপডেট: 16 August 2023 11:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার গভীর রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের এ টু ব্লকে তিনতলা থেকে পড়ে যায় বাংলা প্রথম বর্ষের ছাত্র (Jadavpur University student death)। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, পরের দিন সকালে মৃত্যু হয় তার। জানা যাচ্ছে, মৃত্যুর পরে একবার বা দু'বার নয়, পরপর চারবার জেনারেল বডি বৈঠক (জিবি মিটিং) করা হয় হস্টেলে। সূত্রের খবর, এই ঘটনা নিয়ে পুলিশকে কী বয়ান দেওয়া হবে, তাই নিয়েই আলোচনা হয় প্রাক্তনীদের নেতৃত্বে।
বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্র মৃত্যুর পরে শুক্রবার, মৃতের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে রুজু হয় খুনের মামলা। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় হস্টেলের পড়ুয়াদের। এই যে মাঝের সময়টা, অর্থাৎ গোটা বৃহস্পতিবার দিন এবং রাত-- এই সময়েই হস্টেলে চার বার জিবি মিটিং হয়েছে বলে জানা গেছে পুলিশ সূত্রে।
শুধু তাই নয়, পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরেই বৃহস্পতিবারই বেশ কয়েকজন তড়িঘড়ি হস্টেল ছেড়ে চলে যান, হস্টেলে কমে যায় আবাসিকদের সংখ্যা। এর পর শুক্রবার পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে যে আবাসিকরা ছিলেন, তাঁরা অনেকেই এমনই একইরকম বয়ান দিতে থাকেন। সূত্রের খবর, বেশিরভাগই বলতে থাকেন, হস্টেলে ছিলেন না, ঢোকার সময়ে দেখেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জখম পড়ুয়াকে। পরপর একথা শুনে তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, বাঁধা গতে শেখানো বুলি বলছেন সকলে।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন মহম্মদ আরিফ, আসিফ আফজল আনসারি, অঙ্কন সরকার, অসিত সর্দার, সপ্তক কামিল্যা এবং সুমন নস্কর। ধৃত মহম্মদ আরিফ জম্মুর বাসিন্দা যাদবপুরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া, আসিফ আফজল আনসারি ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি থানা এলাকার বাসিন্দা অসিত সর্দার যাদবপুরের সংস্কৃতের প্রাক্তন ছাত্র, সপ্তক কামিল্যা এবং সুমন নস্করও যাদবপুরের প্রাক্তনী।
যাদবপুর কাণ্ড: রেজিস্ট্রার হাজিরা দিলেও লালবাজারে গেলেন না ডিন!