
শেষ আপডেট: 7 February 2024 20:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার দিনভরই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপকের রহস্যমৃত্যু মুখে মুখে ফিরল যাদবপুর ক্যাম্পাসে। কেন আচমকা এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন এই তরুণ অধ্যাপক, চোখের জলে ভেসে তার কারণ হাতরাচ্ছে গোটা পরিবার। যাদবপুরের ছাত্রছাত্রীরাও সেই পথেরই পথিক হলেন।
তবে ক্যাম্পাসে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নেশা করার প্রতিবাদ করেছিলেন। ঘটনার জেরে মানসিক এবং শারীরিক নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছিল। আর উপর চড়াও হয়েছিল ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ। পুরো ঘটনাটা ইউজিসি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছিলেন তিনি। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এই ঘটনার পর। এমনটাই বক্তব্য যাদবপুরের ছাত্রদের একাংশের।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক সুমন নেহারের বাড়ি মুর্শিদাবাদের লালগোলায়। পড়ানোর সূত্রে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে থাকতেন ৩৭ বছর বয়সের এই অধ্যাপক। লালগোলা থানার ধুলাউড়ি বালিপাড়ায় বাড়িতে থাকেন তার বাবা ও মা। তিনদিন আগে বাড়ি ফিরেছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর দু’টো পাঁচের ট্রেনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার কথা ছিল তাঁর। তার আগে দুপুরবেলা ঘর থেকে মেলে তাঁর ঝুলন্ত দেহ।
সুমনের জামাইবাবু জানিয়েছিলেন, বাড়ি ফেরার পর থেকে তাঁর আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা দেখেননি কেউ। স্বাভাবিকভাবেই কথাবার্তা বলছিলেন সবার সঙ্গে। এদিন দুপুরবেলা তার মা খাওয়ার জন্য ডাকছিলেন তাঁকে। কিন্তু সাড়া মেলেনি। পরে ঘরে গিয়ে দেখা যায় দরজা বন্ধ। ডাকাডাকিতে সাড়া না মেলায় পড়শিরা এসে দরজা ভেঙে দেখেন সিলিং থেকে ঝুলছে সুমনের দেহ। নিজের মাফলারের ফাঁস রয়েছে গলায়।