
শেষ আপডেট: 20 August 2023 11:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার রাতেই যাদবপুর কাণ্ডে (Jadavpur University Case) আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার দিন হস্টেলে পুলিশকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় পুলিশ আলাদা করে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। সেই মামলায় শনিবার জিজ্ঞাসাবাদের পর রাতে গ্রেফতার করা হয় জয়দীপ ঘোষ নামে এক পড়ুয়াকে। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে, বিচারক ২৪ অগস্ট পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
যাদবপুর কাণ্ডে উঠে আসছে একের পর এক তথ্য। ঘটনার দিন ঠিক কী ঘটেছিল, সেটাই জানতে বদ্ধপরিকর কলকাতা পুলিশ। এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, এখনও পুলিশের আতসকাচের তলায় রয়েছে কয়েকজন। ঘটনার সঙ্গে তাঁদের যোগ রয়েছে কিনা সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ এখনও পর্যন্ত এই মৃত্যুর ঘটনায় দু'টি মামলা রুজু করেছে। একটি মৃতের পরিবারের দায়ের করা এফআইআর। অন্যটি পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে দায়ের করে। সেখানে অভিযোগ ছিল, ঘটনার দিন রাতে খবর পেয়ে পুলিশ যখন মেন হস্টেলে পৌঁছয় সেই সময় আধিকারিকদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। গেট বাইরে থেকে বন্ধ করে তালা দেওয়া হয় বলে জানায় পুলিশ।
এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তিনজন পড়ুয়া ও নিরাপত্তারক্ষীকে জেরা করে। জেরায় উঠে আসে জয়দীপ ঘোষের নাম। জানা যায়, হস্টেলে পুলিশকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার কাজে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জয়দীপই। তারপর তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। বয়ানে অসঙ্গতি মেলায় গ্রেফতার করা হয় জয়দীপকে।
জয়দীপের বাড়ি কেতুগ্রামের কাঁদরা স্টেশনের কাছে। সেখান থেকেই যাদবপুরে পড়তে আসেন তিনি। পড়াশোনা শেষ করে কলকাতাতেই থাকতেন জয়দীপ। তবে হস্টেলে নয়, বিক্রমগড়ে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। ঘটনার দিন কেন তিনি হস্টেলে গিয়েছিলেন, সেটাই পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এদিন আদালতে পুলিশ জয়দীপকে ১৪ দিন নিজেদের হেফাজতে চেয়েছিল, তবে বিচারক ২৪ তারিখ পর্যন্ত হেফাজত মঞ্জুর করেন।
আরও পড়ুন: অন্ধ্রে পড়তে গিয়ে টালিগঞ্জের মেয়ের মৃত্যু-তদন্তে সিআইডি? পরিবারকে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর