দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের যদি প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন তাঁর বাবা, তবে নাকি তিনি বাড়ি ছাড়বেন! এমনটাই জানালেন ইভাঙ্কা ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে। কারণ রাজনীতির বিষয়ে তাঁর নাকি আর তেমন কোনও আগ্রহ নেই। সেই সঙ্গে তিনি যা করতে চেয়েছেন, তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও হতাশা প্রকাশ করেছেন ৩৮ বছরের ইভাঙ্কা।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে ইভাঙ্কা এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এমনিতে এত দিন সকলেই জানতেন, বিশেষ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে মেয়ে ইভাঙ্কার সঙ্গে নাকি আলোচনা করে নিতেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাবা-মেয়ের সম্পর্ক বেশ ভাল ছিল বলেই জানতেন সকলে। কিন্তু কী এমন হল, যে বাবা পরের বার প্রেসিডেন্ট হলে একেবারে হোয়াইট হাউস ছেড়ে চলেই যাবেন ইভাঙ্কা!
জোরকদমে প্রচার চলছে আমেরিকায়। ২০২০-তেই সেখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে, প্রতি পাঁচ বছর অন্তর আমেরিকায় ক্ষমতা হস্তান্তর হয় রিপাবলিক এবং ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে। তাই পরেরবার রিপাবলিকান ট্রাম্পের ফেরার সুযোগ খুবই ক্ষীণ। কিন্তু তবু, নির্বাচনে কখন কী হয় তা কেউ আগে থেকে বলতে পারে না। তাই যদি এমন হয়, যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফের নির্বাচিত হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাহলে তাঁর মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প হোয়াইট হাউস ছেড়ে চলে যাবেন বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তাঁর কথায়, "আমি আমার ছেলেমেয়েদের খুশি রাখতে চাই। সেটাই আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সে জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেব।" কিন্তু ইভাঙ্কার কেন মনে হচ্ছে, তাঁর বাবা ফের প্রেসিডেন্ট হলে তাঁকে অসুবিধায় পড়তে হবে? ৩৮ বছরের ইভাঙ্কার রাজনৈতির কেরিয়ার কি তাহলে সফল নয়?
ইভাঙ্কার কথায়, "আমি প্রশাসনিক কাজে অংশগ্রহণ করেছিলাম নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য নিয়ে। আমি চেয়েছিলাম মেয়েদির ক্ষমতা আরও বাড়াতে। গত আড়াই বছর ধরে সারা দেশ ঘুরেছি আমি। বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু আমার কাজ এখনও শেষ হয়নি।"
তাহলে কি রাজনীতিতে আগ্রহ সত্যিই কমছে ট্রাম্পকন্যার? তাই কি পরিবারের দিকে মন দিতে চাইছেন? নাকি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের ভূমিকায় খুশি নন তাঁর মেয়েই? সে জন্যই আসন্ন নির্বাচনে চাইছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প জিতুন? আগামী বছরের নির্বাচনের পরেই হয়তো এই উত্তরগুলি স্পষ্ট হবে।