
শেষ আপডেট: 16 January 2020 17:31
কিন্তু তার পর পরই এক অভিযুক্ত দিল্লি হাইকোর্টে প্রাণ ভিক্ষা চায়। অপর অভিযুক্ত দিল্লি সরকারের কাছে আবেদন জানায়। যে ভাবে চার অভিযুক্ত পৃথক ভাবে আবেদন নিবেদন শুরু করেছে তাতে আইনি কৌশলই দেখছে নির্ভয়ার পরিবার।
বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে সংবাদসংস্থাকে আশাদেবী বলেন, সরকার ও আদালত যেন দোষীদের সাহায্য করছে, আমাদের নয়!
এদিকে এদিনই তিহাড় জেলের তরফে দিল্লি সরকারকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। তাতে জানতে চাওয়া হয়, ২২ তারিখ ফাঁসির হওয়ার যে সময় নির্ধারিত ছিল তা কি অপরিবর্তিত রয়েছে? নাকি অভিযুক্তরা প্রাণ ভিক্ষা চাওয়ার পর তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে?
এই অবস্থায় কেজরিওয়াল সরকারের তরফে স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল রাহুল মেহরা দিল্লি হাইকোর্টকে জানান, ২২ তারিখ ফাঁসি দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, অন্যতম অভিযুক্ত মুকেশ কুমার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা করে আবেদন করেছেন।
ঠিক এই জায়গাতেই ধরতে চেয়েছেন আশাদেবী। তিনি বলেন, সবে এখন মুকেশ প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছে। সরকারও বলছে একজনই প্রাণভিক্ষা চেয়েছে। এর পর সেই আবেদন খারিজ হলে আরেক অভিযুক্ত আবেদন জানাবে। তার পর তৃতীয় জন। এ সব শুধুই দেরি করার খেলা। দিল্লি সরকার সব জানে।
তবে নির্ভয়ার বাবা বলেন, অপরাধীদের ফাঁসি কেউ আটকাতে পারবে না। যতই আইনি কৌশল ওরা নিক না কেন! ফাঁসির দিন ঘনিয়ে আসছে।