তেজসের শক্তি বাড়াচ্ছে ইজরায়েলি ডার্বি মিসাইল, আরও নির্ভুল নিশানা, ক্ষিপ্র গতি, মজবুত হচ্ছে প্রতিরক্ষা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তেজসের নতুন প্রজন্মের নকশা তৈরি। দেশের প্রতিরক্ষাকে আঁটোসাঁটো করতে ডবল ইঞ্জিন, মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফ্টের প্রযুক্তিতে আরও বদল আনার চেষ্টা করছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। তেজসের সঙ্গে ইজরায়েলি ডার
শেষ আপডেট: 8 March 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তেজসের নতুন প্রজন্মের নকশা তৈরি। দেশের প্রতিরক্ষাকে আঁটোসাঁটো করতে ডবল ইঞ্জিন, মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফ্টের প্রযুক্তিতে আরও বদল আনার চেষ্টা করছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। তেজসের সঙ্গে ইজরায়েলি ডার্বি মিসাইলকে জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা গত বছর থেকেই নেওয়া হয়েছে। ডিআরডিও জানাচ্ছে, তেজসের নয়া ভ্যারিয়ান্টের সঙ্গেও জুড়ে দেওয়া হবে ইজরায়েলি ডার্বি ও রাশিয়ার ক্লোজ কমব্যাট মিসাইলকে।
বায়ু থেকে বায়ুতে নিশানার জন্য রাশিয়ার আর-৭৩ ক্লোজ কমব্যাট মিসাইল রয়েছে নৌসেনার সামরিক ভাণ্ডারে। ডিআরডিও জানিয়েছে, শক্তিতে এবং আক্রমণের ক্ষমতায় তেজস সুপারসনিক এয়ারক্রাফ্টকে রাফালের থেকেও আগে নিয়ে যেতে প্রয়োগ করা হবে ইজরায়েলি ডার্বি মাসাইলকে। এই ক্ষেপণাস্ত্র ভূমি থেকে আকাশে নির্ভুল নিশানায় নিক্ষেপ করা যায়। ক্ষিপ্র গতিতে ছুটে গিয়ে টার্গেটকে আঘাত করে।
ডিআরডিও জানিয়েছে, ইজরায়েলি আই-ডার্বি এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল যুক্ত করা হবে সুখোই এস-৩০এমকেআই ফাইটার জেটের সঙ্গে। ইজরায়েলের থেকে এই মিসাইল কেনার জন্য গত বছরই চুক্তি করা হয়েছিল। ডার্বির ভ্যারিয়ান্ট আই-ডার্বি ইআর আরও বেশি শক্তিশালী। সারফেস-টু-এয়ার (SAM) অর্থাৎ ভূমি থেকেও আকাশে টার্গেট করা যায় এই ক্ষেপণাস্ত্র। তেজসের নয়া ভ্যারিয়ান্টের জন্য ডার্বির এই উন্নত সংস্করণকেই বেছে নিচ্ছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

শব্দের থেকে দ্রুতগামী পৃথিবীর সব থেকে হালকা যুদ্ধবিমান তেজস। এটি ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে বানানো দ্বিতীয় যুদ্ধবিমান। তবে তেজসের এই উন্নত সংস্করণ হবে তেজস এমকে-১ (ওজনে ১৩.৫ টন) ও তেজস এমকে-২ ( ওজনে ১৭.৫ টন) ফাইটার জেটের চেয়ে ওজনে ভারী। তেজসের এই ভ্যারিয়ান্টের ওজন হতে চলেছে প্রায় ২৩ টনের কাছাকাছি। তার উপর ৯ টন অবধি ক্ষেপণাস্ত্র বইতে সক্ষম হবে সে। এই তেজস ভ্যারিয়ান্টের নৌসেনার ‘টুইন ডেক বেসড ফাইটার (TEDBF)’ জেট ও বায়ুসেনার ‘এয়ার ফোর্স ওমনি রোল ফাইটার’ জেটের নকশা বানিয়ে ফেলেছে অ্যারোনটিক্যাল ডিজাইন এজেন্সি (ADA) এবং হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)।
হ্যাল জানিয়েছে, মিগ-২৯কে ফাইটার জেটের থেকেও আকারে বড় হবে তেজসের এই ভ্যারিয়ান্ট। আকাশে এর সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ঘণ্টায় দু’হাজার কিলোমিটার। এই যুদ্ধিবিমানে থাকবে গ্লাস-ককপিট, অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড রেডার (AESA) যা লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করতে পারবে আকাশ, জল, স্থল যে কোনও দিক থেকে। এর মধ্যে বিয়ন্ড ভিসুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) মিসাইন বা দৃষ্টির সীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত করা হবে।