
শেষ আপডেট: 3 August 2020 07:15
অযোধ্যায় ২.৭৭ একর জমির ওপরে দাঁড়িয়েছিল ষোড়শ শতকে নির্মিত বাবরি মসজিদ। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের কর্মীরা মসজিদটিকে ভেঙে ফেলে। তাদের বিশ্বাস, রামলালার জন্মস্থানের ওপরে ওই মসজিদ নির্মিত হয়েছিল।
মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেছেন, "আমি বরাবরই ভাবতাম, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বেই রামমন্দির তৈরি হবে। মোদীর নেতৃত্বেই দেশে রামরাজ্য আসবে। আমি সকলের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, ৪ ও ৫ অগাস্ট বাড়িতে মাটির প্রদীপ জ্বালান।" করোনায় আক্রান্ত হয়ে শিবরাজ সিং চৌহান এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
উত্তরপ্রদেশে এখন করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৮ হাজার ২৩। এরই মধ্যে শুরু হচ্ছে মন্দির নির্মাণের কাজ। আগে যে আয়তনের মন্দির তৈরি হবে বলে ভাবা হয়েছিল, বাস্তবে মন্দিরের আকার হতে চলেছে তার দ্বিগুণ। গতবছর নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে রামমন্দির নির্মাণের পথ তৈরি হয়। শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেয়, মসজিদ নির্মাণের জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে শহরে পাঁচ একর জমি দিতে হবে।
করোনা সংকটের সময়ে রামমন্দিরের ভূমিপূজনের জমায়েত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তাঁর সাফ কথা, এই সময়ে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ভিডিও কনফারেন্স তথা ভার্চুয়াল ভূমিপূজন হতে পারত।
উদ্ধব ঠাকরে শিবসেনার সভাপতি। রাম জন্মভূমি আন্দোলনে শিবসেনারও ভূমিকা কম ছিল না। তাও স্মরণ করিয়ে দেন বালাসাহেব-পুত্র। রবিবার শিবসেনার মুখপত্র সামানায় উদ্ধবের এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। উদ্ধবের বক্তব্য, লক্ষ লক্ষ রামভক্তদের কাছে এটা একটা বড় দিন। অনেক আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। তাঁদের আটকে যদি বড় মাথারা সেখানে গিয়ে ভূমিপূজন করেন তাহলে তাঁদের ভাবাবেগে ধাক্কা লাগবে। তিনি আরও বলেন, “রামমন্দির কোনও সাধারণ মন্দির নয়। এর পিছনে রয়েছে লম্বা ইতিহাস।”