
শেষ আপডেট: 15 July 2020 18:30
ভাইরোলজিস্ট ডক্টর সারা গিলবার্ট[/caption]
অক্সফোর্ড ও অক্সফোর্ডের অধীনস্থ জেন্নার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের ডিজাইন করা ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে ব্রিটেনে। শিম্পাঞ্জির শরীর থেকে নেওয়া কম সংক্রামক অ্যাডেনোভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে তৈরি এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট শরীরে গিয়ে বি-কোষ (B-Cell) ও টি-কোষকে (T-Cell) উদ্দীপিত করে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি করবে বলেই আশা গবেষকদের। অক্সফোর্ডের ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিন তথা ChAdOx1 nCoV-19 ভ্যাকসিন তৈরির লাইসেন্স পেয়েছে অ্যাস্ট্রজেনেকাও।
জুন মাস থেকে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হয়েছে ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকাতেও। ব্রাজিলের সাও পাওলো ও রিও ডি জেনিরোতে তিন হাজার জনকে দেওয়া হয়েছে ভ্যাকসিন। তাঁদের মধ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মীরাও রয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকাতেও অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এই ট্রায়ালের তত্ত্বাবধআনে রয়েছে উইটওয়াটারস্র্যান্ড ইউনিভার্সিটি (উইটস)।প্রথম ধাপে ২০০০ জনকে করোনার টিকা দেওয়া হয়।
মোডার্নার এমআরএনএ ভ্যাকসিন
কোভিড ভ্যাকসিনের দৌড়ে এগিয়ে মার্কিন ফার্মা জায়ান্ট মোডার্নাও। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকসিয়াস ডিজিজের ডিরেক্টর এবং হোয়াইট হাউসের মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এপিডেমোলজিস্ট অ্যান্থনি ফৌজির তত্ত্বাবধানে মেসেঞ্জার আরএনএ তথা এমআরএনএ (mRNA)সিকুয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে আরএনএ টেকনোলজিতে করোনার টিকা তৈরি করেছে মোডার্না। প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয় মার্চ মাসে। প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়া হয় দুই সন্তানের মা ৪৩ বছরের জেনিফার হ্যালারকে। এই ট্রায়ালের রিপোর্ট সন্তোষজনক ছিল বলেই দাবি করেছিলেন মোডার্নার ভাইরোলজিস্টরা। দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয় মে মাসে। আগামী ২৭ জুলাই থেকে তৃতীয় পর্যায়ের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করবে মোডার্না। সম্প্রতি প্রথম পর্যায়ের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এনেছে মোডার্না। চিফ একজিকিউটিভ অফিসার স্টিফেন ব্যানসেল জানিয়েছেন, প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল ৪৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক স্বেচ্ছাসেবককে। ২৫ মাইক্রোগ্রাম, ১০০ মাইক্রোগ্রাম ও ২৫০ মাইক্রোগ্রাম ডোজে ২৮ দিনের ব্যবধানে ভ্যাকসিনের দুটি করে শট দেওয়া হয়। তাঁরা এতদিন পর্যবেক্ষণে ছিলেন। দেখা গেছে, প্রত্যেকের শরীরেই আরএনএ ভাইরাসের প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও আগের থেকে বেড়েছে। ‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন’-এ এই গবেষণার রিপোর্ট সামনে এনেছে মোডার্না।