Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ

একটিও পাক এফ-১৬ নিখোঁজ নয়, তাহলে কোন যুদ্ধবিমান উড়িয়েছিলেন অভিনন্দন? দাবি তুলল আমেরিকা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বালাকোট অভিযানের পরদিন সত্যই কি পাক বায়ুসেনার এফ-১৬ যুদ্ধবিমান উড়িয়েছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমান, সেই নিয়ে নতুন করে শুরু হলো জল্পনা। আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কয়েক জন শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকের

একটিও পাক এফ-১৬ নিখোঁজ নয়, তাহলে কোন যুদ্ধবিমান উড়িয়েছিলেন অভিনন্দন? দাবি তুলল আমেরিকা

শেষ আপডেট: 4 April 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বালাকোট অভিযানের পরদিন সত্যই কি পাক বায়ুসেনার এফ-১৬ যুদ্ধবিমান উড়িয়েছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমান, সেই নিয়ে নতুন করে শুরু হলো জল্পনা। আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কয়েক জন শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকের দাবি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক), পাকিস্তানের বায়ুসেনার ভাঁড়ারে ঠিক যতগুলো এফ-১৬ ফাইটার জেট থাকার কথা, ঠিক ততগুলোই নাকি সশরীরে আছে। তাহলে কোন যুদ্ধবিমান ওড়ালেন অভিনন্দন, ফের উঠছে সেই প্রশ্ন। এফ-১৬ নিয়ে এর আগেও ভারতের থেকে তথ্য চেয়েছে আমেরিকা। ভারতের ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, আকাশ যুদ্ধের রেষারেষিতে পুরনো ধাঁচের ‘বুড়ো’ মিগ দিয়ে আমেরিকার প্রযুক্তিতে বানানো এফ-১৬ ফাইটার জেট উড়িয়ে দিয়েছিলেন অভিনন্দন, সেটাই আমেরিকার গাত্রদাহের মূল কারণ। অস্ত্র কেনাবেচার চুক্তিতে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এফ-১৬ ব্যবহার করার মউ স্বাক্ষর করেছিল পাকিস্তান, কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে সেই চুক্তিও লঙ্ঘন করেছে তারা। তাই সব মিলিয়ে যেমন চাপে রয়েছে ইসলামাবাদ, তেমনি এফ-১৬-এর ব্যর্থতা অস্বস্তিতে ফেলেছে আমেরিকাকেও। তাই বারংবার নানা সূত্র এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্তাদের দাবি বলে এই সব খবর প্রকাশ্যে আনছে আমেরিকা। বস্তুত, ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার নিয়ে ইসলামাবাদের কাছ থেকে আগেই তথ্য চেয়েছিল আমেরিকা। এ বার মার্কিন প্রশাসন ফের জানিয়েছে, বিষয়টা নিয়ে খুঁটিনাটি রিপোর্ট খতিয়ে দেখছে তারা। আমেরিকার পাবলিকেশন এজেন্সি ‘ফরেন পলিসি’ সূত্রে দাবি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিক নাকি জানিয়েছেন, ভারতীয় বায়ুসেনার দেওয়া তথ্যে গলদ রয়েছে। ইসলামাবাদের অস্ত্রভাণ্ডারে ঠিক কতগুলো এফ-১৬ যুদ্ধবিমান রয়েছে তার একটা সমীক্ষা নাকি চালিয়েছে আমেরিকা। গুণতিতে দেখা গেছে, একটিও নিখোঁজ নয়। কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপি বাহিনীর কনভয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়েছে কয়েক ডিগ্রি। গোটা ঘটনার পিছনে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ-এর হাত রয়েছে, এটা স্পষ্ট হওয়ার পর দু’দেশের সম্পর্কও তলানিতে এসে ঠেকে। হামলা আর পাল্টা হামলার মধ্যেই পাক বায়ুসেনা ভারতের বিরুদ্ধে আমেরিকার থেকে কেনা এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারতের দাবি ছিল, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান থেকে এআইএম-১২০ এএমআরএএএম (অ্যাডভান্সড মিডিয়াম রেঞ্জ এয়ার টু এয়ার মিসাইল) ছুড়েছিল পাকিস্তান। তার জবাব দিতেই ভারতের বায়ুসেনা অফিসার অভিনন্দন বর্তমান তার মিগ-২১ বাইসন জেট নিয়ে ধাওয়া করেছিল সেই এফ-১৬ বিমানকে। পরে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ধ্বংস করেছিল সেই যুদ্ধবিমানটিকে। প্রমাণ হিসেবে আমরাম ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরোও হাজির করে ভারতীয় বায়ুসেনা। পাকিস্তান অবশ্য প্রথম থেকেই ভারতের আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। শুধুমাত্র সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার শর্তেই মার্কিন সংস্থা লকহিড মার্টিনের থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কিনেছিল পাক সরকার। পাকিস্তানের দাবি ছিল, পাক যুদ্ধবিমানের যে ধ্বংসাবশেষ প্রমাণ হিসাবে দেখিয়েছিল ভারত, তা আদৌ মার্কিন প্রযুক্তিতে তৈরি এফ-১৬ নয়। ওই যুদ্ধবিমান আসলে চিনের সঙ্গে যৌথ প্রযুক্তিতে তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার-এর অংশ। ওই অভিযানের ফুটেজও তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন পাক সেনার মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর। ‘ফরেন পলিসি’ ম্যাগাজিনের মুখপাত্র লারা সেলিগম্যানের কথায়, ‘‘আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা জানিয়েছেন পাক যুদ্ধবিমান যে ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা তার যথাযোগ্য প্রমাণ হাজির করতে পারেনি দিল্লি। সুতরাং সে দিন যে পাক এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকেই টার্গেট করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল সেটা বলা যায় না। তার উপর পাকিস্তানের কাছে সবকটি এফ-১৬ই রয়েছে, একটিও নিখোঁজ নয়।’’

```