
শেষ আপডেট: 22 February 2020 18:30
মার্কিন বায়ুসেনার অনেক উচ্চপদেই রয়েছেন শিখ অফিসাররা। বায়ুসেনার যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অভিযানেই তাঁরা থাকেন। মার্কিন বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, দেশের জন্য কাজ করছেন যে দক্ষ অফিসাররা. তাঁদের ধর্মীয় রীতিনীতি, আচার-বিচারের কথা মাথায় রাখা কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। তাই এই সিদ্ধান্ত। এরপর থেকে শিখ অফিসাররা তাঁদের প্রথা মতো পাগড়ি পরতে পারবেন, দাড়িও রাখতে পারবেন। মুসলিমদের হিজাব পরতেও বাধা নেই।
২০১৮ সালে মার্কিন বায়ুসেনায় যোগ দেওয়া প্রথম মুসলিম মহিলা কম্যান্ডার মায়সা অউজা। তাঁকেও হিজাব পরেই কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়। শিখ কোয়ালিশনের স্টাফ অ্যাটর্নি জিসেল ক্ল্যাপার বলেছেন, দীর্ঘদিনের টানাপড়েনের পরে এই ছাড়পত্র দেওয়া হল। এটা মার্কিন বায়ুসেনার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। ক্ল্যাপার বলেছেন, ২০০৯ সাল থেকেই পোশাক বিধিতে বদল আনার জন্য ক্যাম্পেন শুরু হয়েছিল। এতদিনে তার সুফল মিলল।
শিখ কোয়ালিশনের প্রথম এয়ারম্যান হিসেবে পাগড়ি মাথায় কাজ করবেন গুরচেতন সিং। এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের এই অফিসার খুব তাড়িতাড়ি বেসিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল ট্রেনিংয়ের প্রধান হিসেবে যোগ দেবেন। গুরচেতন বলেছেন, “এখন মনে হচ্ছে আমি একজন মার্কিন-শিখ অফিসার। আমার ধর্মীয় বিশ্বাস মেনে চলতে আর কোনও বাধাই রইল না।”
কাউন্সিল অব আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের মুখপাত্র ইব্রিহিম হুপার বলেছেন, ধর্মীয় পোশাকের এই অনুমোদন মার্কিন বাহিনীতে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সমন্বয় ঘটাবে। সেনাদের আত্মবিশ্বাস আরও প্রবল হবে।