
শেষ আপডেট: 19 July 2020 18:30
রকেটের উৎক্ষেপণ ও মহাকাশে তার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছে জাপানের কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে খবর এসেছে, পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণের মায়া কাটিয়ে আরবী মহাকাশযান ‘আশা’ রকেট থেকে আলাদা হয়ে গেছে। এবার গতি বাড়িয়ে সে এগিয়ে যাচ্ছে মঙ্গলের দিকে।
মঙ্গলে পৌঁছতে অন্তত ৬ মাস লাগবে বলে জানিয়েছেন হামাদ। সব ঠিক থাকলে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশ করবে হোপ স্পেসক্রাফ্ট। মঙ্গলের মাটিতে অবতরণের কোনও পরিকল্পনা এখনই নেই। এই মহাকাশযানের অরবিটার মঙ্গলের কক্ষে প্রদক্ষিণ করবে। এই সময় মহাকাশযানের হাই-রেজোলিউশন ক্যামেরা লাল গ্রহের ছবি তুলবে। মঙ্গলের মাটি, তার গহ্বর, উপত্যকা দেখবে। মঙ্গলের হিসেবে এক বছর (Martian Year) আর পৃথিবীর হিসেবে ৬৮৭ দিন মঙ্গলের কক্ষপথে পাক খাবে আরবের হোপ মহাকাশযান।
[caption id="attachment_241987" align="alignnone" width="970"]
মহম্মদ বিন রশিদ স্পেস সেন্টারে হোপ স্পেসক্রাফ্ট[/caption]
চলতি বছরেই মঙ্গল-যাত্রার বৃহত্তর পরিকল্পনা আছে আমেরিকা ও চিনেরও। আগামী ২৩ জুলাই মঙ্গলে মহাকাশযান পাঠাতে পারে চিন। এই মিশনের নাম ‘তিয়ানওয়েন-১’ ।
ঐতিহাসিক মঙ্গল অভিযান নিয়ে ব্যস্ততা তুঙ্গে নাসাতেও। ৩০ জুলাই মঙ্গলে পাড়ি দিতে পারে মার্স কিউরিওসিটির পরবর্তী প্রজন্ম ‘পারসিভিয়ারেন্স’ । ২০১২ সালে প্রথম মিস কৌতুহলকে মঙ্গলে পাঠিয়েছিল নাসা। এবার তার থেকেও বড় মঙ্গল-অভিযানের প্রস্তুতি চলছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থায়। নাসা জানিয়েছে, এই মঙ্গলযাত্রার রোভার কিউরিওসিটির থেকে অনেকটাই পরিণত। জেট প্রপালসন ল্যাবরেটিতে (জেপিএল) যত্ন করে বানানো হয়েছে পারসিভিয়ারেন্সকে। ঐতিহাসিক মার্কিন চন্দ্রাভিযানে অ্যাপোলো ১১ যেমন চাঁদের মাটি থেকে নুড়ি-পাথর কুড়িয়ে এনেছিল, পারসিভিয়ারেন্স রোভারও মঙ্গলের মাটি থেকে নুড়ি, পাথর, অজানা-অচেনা রহস্যময় জিনিসপত্র খুঁজে নিয়ে আসবে। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে আটলাস ভি-৫৪১ রকেটে চাপিয়ে মঙ্গলে পাঠানো হবে পারসিভিয়ারেন্স রোভারকে। মঙ্গলের মাটিতে নামতে সময় লাগবে প্রায় এক বছর।