Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকের

‘আরএনএ ভ্যাকসিন’ সুরক্ষার সব পরীক্ষায় পাশ করেছে, ডিসেম্বরের আগেই চলে আসবে আমেরিকায়, দাবি ফাইজারের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকায় কে আগে করোনার টিকা আনবে মোডার্না বায়োটেক বা ফাইজার, সেই নিয়ে জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির দুই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিই তাদের ভ্যাকসিনের তৃতীয় স্তরের ট্রায়ালে রয়েছে। দুই সংস্থার ভ্যা

‘আরএনএ ভ্যাকসিন’ সুরক্ষার সব পরীক্ষায় পাশ করেছে, ডিসেম্বরের আগেই চলে আসবে আমেরিকায়, দাবি ফাইজারের

শেষ আপডেট: 13 September 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকায় কে আগে করোনার টিকা আনবে মোডার্না বায়োটেক বা ফাইজার, সেই নিয়ে জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির দুই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিই তাদের ভ্যাকসিনের তৃতীয় স্তরের ট্রায়ালে রয়েছে। দুই সংস্থার ভ্যাকসিনের প্রভাবই কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি। ফাইজারের চিফ একজিকিউটিভ অফিসার অ্যালবার্ট বোরলা বলেছেন, টিকার চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়ালে আশা জাগছে। টিকার ডোজের মাত্রাও নির্ধারণ করা হয়ে গেছে। উৎপাদন শুরু হচ্ছে। আশা করা যায় বছর শেষের আগেই কোভিড ভ্যাকসিন চলে আসবে আমেরিকায়। ‘ফেস দ্য নেশন’ নামে একটি অনুষ্ঠানের সাক্ষাৎকারে বোরলা দাবি করেছেন, জার্মান সংস্থা বায়োএনটেকের সহযোগিতায় টিকার সুরক্ষা ও কার্যকারীতা নিশ্চিত করা গেছে। প্রায় ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে টিকার ইঞ্জেকশন দিয়ে কোনও অ্যাডভার্স সাইড এফেক্টস দেখা যায়নি। আরও বেশি জনের উপরে এখন টিকার ট্রায়াল শুরু হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যেই সেফটি ট্রায়ালের রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের রেগুলেটরি কমিটির কাছে। এরপর এফডিএ সায় দিলেই টিকা চলে আসবে দ্রুত। জার্মান বায়োটেকনোলজি ফার্ম বায়োএনটেক এসই-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কোভিড ভ্যাকসিন বানিয়েছে ফাইজার। সংস্থার ভ্যাকসিন রিসার্চ বিভাগের প্রধান ক্যাথরিন জ্যানসেন বলেছেন, আরএনএ টেকনোলজিতে এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট ডিজাইন করা হয়েছে। এই আরএনএ ভ্যাকসিন দেহকোষকে ভাইরাল প্রোটিন তৈরিতে বাধ্য করে যাতে তার প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি শরীরেই তৈরি হয়ে যায়। এই গবেষণার নেতৃত্বে রয়েছেন জার্মানির বায়োএনটেকের অধ্যাপক উগার সাহিন। তিনি জানিয়েছেন এই আরএনএ ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের নাম BNT162। মানুষের শরীরে ‘মেমরি বি সেল’ তৈরি করবে যা থেকে দেহকোষে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হবে। অ্যান্টিবডি বেসড ইমিউন রেসপন্স বা অ্যাডাপটিভ ইমিউন রেসপন্স তৈরি করবে এই ভ্যাকসিন। ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। https://twitter.com/AlbertBourla/status/1305279534984499203

এইচআইভি ও হেপাটাইটিসের রোগীদের শরীরেও টিকার ট্রায়াল করবে ফাইজার

মে মাস থেকে BNT162 ভ্যাকসিনের প্রয়ম পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু করেছিল ফাইজার-বায়োএনটেক। ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের বেছে নেওয়া নেওয়া হয়েছিল প্রথম পর্যায় অর্থাৎ ফেজ-১ ট্রায়ালের জন্য। ফাইজারের ভ্যাকসিন রিসার্চ বিভাগের প্রধান ক্যাথরিন জ্যানসেন বলেছেন, প্রথম ধাপে ৪৫ জন সুস্থ ব্যক্তির শরীরে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। তাদের দুটি দলে ভাগ করে ২৪ জনকে হাই ডোজে ভ্যাকসিনের দুটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। বাকিদের দেওয়া হয় কম ডোজে। এরপরে তাদের শারীরিক পরিবর্তন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। দেখা গেছে, যাদের বেশি ডোজে ভ্যাকসিনের দুচি শট দেওয়া হয়েছিল তাঁদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয় অ্যান্টিবডির পরিমাণও বেশি। তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্বে ৩০ হাজার জনকে টিকা দেওয়া শুরু করেছিল ফাইজার। সিইও বোরলা জানিয়েছেন, টিকার সুরক্ষা সার্বিক পর্যায়ে নিশ্চিত করার জন্য এখন ৪৪ হাজার জনকে ইঞ্জেকশন দিয়ে তার প্রভাব লক্ষ্য করা হবে। এই পর্বে ১৬ বছরের কম বয়সীদেরও টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এইডসের রোগী, হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস সি এর রোগীদেরও টিকার ডোজ দিয়এ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। জটিল রোগে আক্রান্তদের উপরেও যদির টিকার প্রভাব কার্যকরী হয়, তাহলে সবদিক দিয়েই এই টিকার সাফল্য আসবে। মানুষের শরীরেও পুরোপুরি সুরক্ষিত ও নিরাপদ বলা যাবে এই টিকাকে। নভেম্বরের পেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই করোনার টিকা আনার কথা বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্ডি অ্যান্ড ইনফেকশিয়াস ডিজিজের প্রধান অ্যান্থনি ফৌজিও বলেছিলেন, বছর শেষের আগেই টিকা চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মোডার্না না ফাইজার, কার টিকা আগে আসবে সেটাই এখন দেখার।

```