খুলবে না পাক আকাশপথ, ৩০ মে পর্যন্ত ভারতীয় উড়ানে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ইসলামাবাদ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জইশ হামলা, তার প্রত্যাঘাতে পাক আকাশসীমায় ঢুকে বালাকোটের জইশ শিবিরে ভারতীয় বায়ুসেনার হামলা, উইং কম্যান্ডার আভিনন্দন বর্তমানের পাক সেনাদের হাতে আটক হওয়া, সব মিলিয়ে ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে এ
শেষ আপডেট: 15 May 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জইশ হামলা, তার প্রত্যাঘাতে পাক আকাশসীমায় ঢুকে বালাকোটের জইশ শিবিরে ভারতীয় বায়ুসেনার হামলা, উইং কম্যান্ডার আভিনন্দন বর্তমানের পাক সেনাদের হাতে আটক হওয়া, সব মিলিয়ে ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে। বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের পর থেকে ভারতীয় বিমানের জন্য পাকিস্তানের আকাশপথ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে দিয়েছে ইসলামাবাদ। সেই নিষেধাজ্ঞা যে এত সহজে তোলা হবে না, সেটা বুধবারের বৈঠকের পর ফের ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ৩০ মে অবধি ভারতের যে কোনও উড়ানের জন্য বন্ধ থাকবে পাকিস্তানের আকাশপথ।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ও বিমান পরিবহণ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত থেকে কোনও বিমানই পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার করতে পারবে না। ঘুরপথে যেতে হবে গন্তব্যে। এমনকি পাকিস্তান থেকে কোনও বিমানও নয়াদিল্লি, ব্যাঙ্কক ও কুয়ালালামপুরে নামতে পারবে না। এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত।
পাকিস্তানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরীর কথায়, "দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। ভারতে যতদিন নির্বাচন চলবে ততদিন পাকিস্তানের আকাশপথ ভারতীয় উড়ানের জন্য পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। নির্বাচন শেষে নতুন সরকার গঠনের পর পরিস্থিতি বিচার করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
পাক আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০০ কোটি টাকা লোকসানের মুখে এয়ার ইন্ডিয়া। বিমান সংস্থা সূত্রে খবর, প্রতিদিন যেখানে ৩৫০ বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা পেরিয়ে যাতায়াত করত, সেখানে এখন বিমানের সংখ্যা খুবই কম। তার উপর দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে সময় ও অর্থ দুইয়েরই অপচয় হচ্ছে বিস্তর। ফলে জ্বালানি সংকটও দেখা দিয়েছে। পাক সরকারের কড়াকড়ির ফলে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাগামী বিমানগুলি মূলত সমস্যার মুখে।
অন্যদিকে, ক্ষতির মুখে পাকিস্তানের বিমান সংস্থা 'পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (PLA)।' প্রতিদিন পাকিস্তান থেকে পিএলএ-র অন্তত চারটি বিমান কুয়ালালামপুর, দু'টি ব্যাঙ্কক এবং দু'টি দিল্লিতে ওঠানামা করতো।
পিএলএ-র এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, "শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, আমরা যাত্রীদেরও হারাচ্ছি। দুই দেশের মধ্যে রেল পথ নিয়ে যদি সমস্যা না হয়, তাহলে বিমান পথে এত নিষেধাজ্ঞা কেন?"
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/news-national-air-india-suffered-rs-300-crore-losses-as-pakistan-closed-its-air-space-after-balakot-air-strike/