Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

হাফিজ-মাসুদের সঙ্গে সরাসরি যোগ, ১১টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো পাক সরকার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্তর্জাতিক চাপ তো ছিলই। ইমরান খান নিজেকে যে ভাবে ‘শান্তির দূত’ হিসেবে তুলে ধরেছেন, সে কথার প্রমাণ দিতেও কিছু করে দেখানোর প্রয়োজনটাও ছিল ষোলোআনা। শেষমেশ তাই দেশের ১১টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো পাকিস্তান সরকার। দাবি, এই স

হাফিজ-মাসুদের সঙ্গে সরাসরি যোগ, ১১টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো পাক সরকার

শেষ আপডেট: 10 May 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্তর্জাতিক চাপ তো ছিলই। ইমরান খান নিজেকে যে ভাবে ‘শান্তির দূত’ হিসেবে তুলে ধরেছেন, সে কথার প্রমাণ দিতেও কিছু করে দেখানোর প্রয়োজনটাও ছিল ষোলোআনা। শেষমেশ তাই দেশের ১১টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো পাকিস্তান সরকার। দাবি, এই সংগঠনগুলির সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলির। যার মধ্যে রয়েছে হাফিজ সইদের জামাত-উদ-দাওয়া,  ফালাহ-ই-ইনসানিয়ত ফাউন্ডেশন এবং মাসুদ আজহারের জইশ-ই-মহম্মদ। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর থেকে পাকিস্তানে চলতে থাকা জঙ্গি পরিকাঠামো নিয়ে যে সব চর্চা সামনে আসছে, তাতে গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, পঞ্জাব হোক বা খাইবার পাখতুনখোয়া, বা বালুচিস্তান— পাকিস্তানের কোনও অঞ্চলই সন্ত্রাসের ছায়া থেকে আর মুক্ত নয়।তালিবানরা তো আরও অনেক আগেই নিষিদ্ধ। তার পরেও নিরন্তর আন্তর্জাতিক মহলের চোখে ধুলো দিয়ে পাক মাটিতে অবাধে নিজেদের কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে এইসব সংগঠন। পাক অভন্ত্যরীণ মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রনাধীন ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিসম অথরিটি (NACTA)নিজেদের ওয়েবসাইটে বিবৃতি দিয়ে ঘোষণা করে যে ১১টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাক সরকার, তার সাতটির সঙ্গে যোগ রয়েছে জামাত-উদ-দাওয়ার। গত মার্চেই হাফিজ সইদের জামাত-উদ-দাওয়া ও ফালাহ-ই-ইনসানিয়ত-সহ ৭০টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ তালিকার অন্তর্ভুক্ত করেছে পাক সরকার। এই ১১টি সংগঠনের সবকটিই লাহোরের। নাম আল-আনফাল ট্রাস্ট, ইদারা খিদমাত-ই-খালাক, আল-দাওয়াত উল ইরশাদ, মসকস্ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, আল-মেদিনা ফাউন্ডেশন, মাজ-বিন-জাবেল এডুকেশন ট্রাস্ট এবং আল-হামাদ ট্রাস্ট। জইশের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় গত শুক্রবারই ভাওয়ালপুরের আল-রেহমত ট্রাস্ট ও করাচির আল-ফুরকান সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাক সরকার। ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, যে সংগঠনগুলিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়, তারা তৎক্ষণাৎ নিজেদের নাম বদলে ফেলে ফের জঙ্গি কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে যায়। যেমন ১৯৮৭ সালে লস্কর-ই-তৈবা তৈরি করেছিলেন হাফিজ সইদ। আন্তর্জাতিক ভাবে এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পরই হাফিজ সইদ পত্রপাঠ বদলে দেন সংগঠনের নাম— জামাত-উদ-দাওয়া নামে কাজ শুরু করে তাঁর লোকজন। ২০০৮ সালে সাময়িক ভাবে নিষিদ্ধ হয়েছিল জামাত-উদ-দাওয়া। ফালাহ-ই-ইসানিয়ত নামে আর এক ব্যানার বানিয়ে ফেলেন হাফিজ। ২০১৮ সালে জামাত-উদ-দাওয়া এবং ফালাহ-ই-ইনসানিয়ত ফাউন্ডেশনকেও পাকিস্তান নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

```