শেষ আপডেট: 7 December 2019 07:24
গ্রেফতারি প্রসঙ্গেও নিজের মত জানিয়েছেন ফারুক খান। তিনি মনে করেন, এখনও সব বিপদ কেটে যায়নি। উদাহরণ হিসাবে বলতে পারি, এখনও কেন গ্রেনেড হামলা হচ্ছে? আমাদের আরও অনেককে গ্রেফতার করতে হতে পারে। এখনও অনেকেই হিংসাত্মক কার্যকলাপ করে চলেছে এবং তারা আমাদের নজরে আছে। ব্যাপারটা এমন হচ্ছে যে আমরা ৫০০ জনকে গ্রেফতার করছি বটে তবে ৪৯০ জনকে ছেড়েও দিচ্ছি। আমরা দশ জনকে আমাদের হেফাজতে রেখে দিচ্ছি নির্দিষ্ট কারণে। ভুল খবরের জন্য অনেককে আটক করা হয়, কিন্তু গ্রেফতার করা হয় সুচিন্তিত ভাবে।”
তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে কোনও রাজনৈতিক দলকেই ধরাবাঁধার মধ্যে রাখা হয়নি। তারা নিজেরাই মনে মনে একটা ভাব তৈরি করেছেন এবং মনে করছেন, তাঁরা কোনও কিছু বললেই পুলিশ এসে তাঁদের ধরে নিয়ে যাবে। অনেকেই প্রশাসনের সমালোচনা করছেন। তুলনায় খুব রাজনৈতিক নেতাকেই আটক করা হয়েছে।” এর পর তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, “অনেক বড় মাপের নেতাই বাইরে রয়েছেন নিজেদের মতো করে। তাঁরা কেন কিছু বলছেন না? এখন রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, যাঁরা দোষী তাঁরাসই ভয়ে ভয়ে আছেন।”
পরে তিনি বলেন, “যদি আপনার আচরণ অশান্তি সৃষ্টি না করে, তা হলে আমাদের কিছু বলার নেই। ভালো আচরণ করবেন বলে তাঁরা মুচলেকা দিয়েছেন, তার মানে এই নয় যে তাঁরা রাজনৈতিক কাজকর্ম করতে পারবেন না।” তবে হুরিয়তরা বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে তাদের সঙ্গে সেই মতো আচরণই করা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
জনবিন্যাস বদলে যাওয়া নিয়ে যে কথা হচ্ছে তাকে স্রেফ অপপ্রচার বলে দাবি করে তিনি প্রশ্ন করেন, “যাঁরা ৫ অগস্টের পর থেকে এখানে ট্রাক নিয়ে এসেছেন বা ট্রেনে চেপে এসেছেন, তাঁরা কি এখানে জমি কিনে ফেলছেন?” তিনি বলেন, “যদি এখানে আপনার জমি থেকে থাকে তবে তা বিক্রি করার অধিকার আপনারই আছে, আপনি যাকে খুশি বিক্রি করতে পারেন। তবে হ্যাঁ, জনবিন্যাসে অবশ্যই পরিবর্তন হয়েছে যখন পাকিস্তানের মদতে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এখান থেকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বিতাড়িত করেছে। এখানে ব্যবসা হোক, চাকরি হোক – এটা নিশ্চিত করা কি প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না?”
এখানে সন্ত্রাস বাড়বে বলে সীমান্তের ওপার থেকে অসত্য কথা প্রচার করা হচ্ছে বলে মনে করেন ফারুক খান। তিনি বলেন, “আমরা ওই ২৫০ জন সন্ত্রাসবাদীকে খুঁজছি, এখনও তাদের আমরা দেখতে পাইনি। এই মুহূর্তে শান্তিই আমাদের অগ্রাধিকার।”