ট্রাম্প হেঁসেলের খবর ফাঁস করে দিচ্ছিল, প্রেসিডেন্টের পিএ-কে বরখাস্ত করল হোয়াইট হাউস
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবারের গোপন কথা নাকি সাংবাদিকদের সামনে ফাঁস করে দিয়েছেন ইনি। মুচমুচে সেই সব খবর নিয়ে রীতিমতো চর্চাও শুরু হয়ে গেছে নানা মহলে। অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে, তিনি ট্রাম্পের খুবই ঘনিষ্ঠ সহকারী। ম্যাডেলিন ওয়েস্টারহা
শেষ আপডেট: 30 August 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবারের গোপন কথা নাকি সাংবাদিকদের সামনে ফাঁস করে দিয়েছেন ইনি। মুচমুচে সেই সব খবর নিয়ে রীতিমতো চর্চাও শুরু হয়ে গেছে নানা মহলে। অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে, তিনি ট্রাম্পের খুবই ঘনিষ্ঠ সহকারী। ম্যাডেলিন ওয়েস্টারহাউট। তাঁকেই এ বার বরখাস্ত করল হোয়াইট হাউস।
প্রেসিডেন্ট পদে বহাল হওয়ার প্রথম দিন থেকেই ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সহকারী ২৯ বছরের ম্যাডেলিন। হোয়াইট হাউসের আঁটঘাট তাঁর জানা। এমনকি ঘনিষ্ঠতা রয়েছে ট্রাম্পের স্ত্রী ও দুই মেয়ে টিফানি ও ইভাঙ্কার সঙ্গেও। ট্রাম্প প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, নিউ জার্সিতে ছুটি কাটাচ্ছিলেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট যে হোটেলে ছিলেন, সেখানে ম্যাডেলিনও ছিলেন। ডিনারের পর মদ্যপ অবস্থায় সাংবাদিকদের সামনে হাজির হন ম্যাডেলিন। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জীবনের পর্দা ফাঁস করতে থাকেন একের পর এক। সেই সব খবর নিয়ে এখন নাকি রীতিমতো আলোচনা হচ্ছে সাংবাদিক মহলে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ম্যাডেলিনকে আপাতত বরখাস্ত করা হয়েছে হোয়াইট হাউস থেকে। তবে প্রিয় সহকারীর আচরণে দুঃখ পেলেও তাঁকে পুরোপুরি দোষী বলতে রাজি নন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘‘আমার মনে হয় এটা আচমকাই হয়েছে। ভুল করে বলে ফেলেছেন ম্যাডেলিন। জানি তাঁর কথা আঘাত দিয়েছে অনেককে। তবে, আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন ম্যাডেলিন।’’

প্রেসিডেন্ট তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর সাফাই গাইলেও, ম্যাডেলিন ধোয়া তুলসীপাতা বাবতে মোটেও রাজি নন ট্রাম্প প্রশাসনের একাধিক কর্তারা। তাঁদের দাবি, ম্যাডেলিন আসলে গুপ্তচরের কাজ করেন। আগেও নানা সময় হোয়াইট হাউসের অনেক গোপন তথ্য ফাঁস করার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল আছে। সেখানে নিয়মিত হোয়াইট হাউসের খবর, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিদেশ সফরের কথা লেখা থাকে।
এত কিছুর পরে ম্যাডেলিনের অবশ্য দাবি, যে সে দিন তিনি প্রকৃতিস্থ ছিলেন না। অ্যালকোহলের নেশা একটু বেশিই চড়ে গিয়েছিল। তার উপর পারিবারিক নানা করণে অন্যমনস্ক ছিলেন। তাই ভুল করে কিছু কথা বলে ফেলেছেন। প্রেসিডেন্টের কাছে তাঁকে নাকি কান্নাকাটি করতেও দেখা গেছে। ম্য়াডেলিনের চোখের জলে এখন চিড়ে ভেজে কি না সেটাই দেখার।