
শেষ আপডেট: 15 April 2019 18:30
মারিয়ানা প্রার্থণা কক্ষ[/caption]
প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, ধোঁয়ার কুণ্ডলী বিশাল চেহারা নিয়ে ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। দমবন্ধ পরিবেশ থেকে বাঁচার জন্য শুরু হয় ছুটোছুটি। কিছপক্ষণের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করতে থাকে গোটা মারওয়ানি প্রার্থণা ঘরটিকেই।
https://twitter.com/PalinfoAr/status/1117849585831989248
জেরপসালেমের ওল্ড সিটির এই আল-আকসা ধর্মস্থানে প্রার্থনা করতে আসেন ইহুদি ও মুসলিমরা। ইহুদিদের কাছে আল-আকসা ‘টেম্পল মাউন্ট’ এবং মুসলিমদের কাছে এই ধর্মস্থান ‘নোবেল স্যাঙ্কচুয়ারি’ নামে পরিচিত। সপ্তম শতকে তৈরি প্রাচীন মার্বেল-পাথরে মোড়া এই ধর্মস্থান মুসলিম ও ইহুদি, দুই সম্প্রদায়ের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র। শুক্রবারের প্রার্থনায় যোগ দিতে পবিত্র এই ধর্মস্থানে আসেন হাজার হাজার মানুষ।
মারওয়ানি প্রার্থণা ঘরটি এই মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব কোণায় অবস্থিত। ১৮৯০ সালে যখন এই মসজিদের নক্সা তৈরি হয়, মুসলিমরা আল-আকসার এই প্রার্থণা ঘরকে বলতেন হারাম অল-শরিফ। আল আকসার পরিচালন কমিটি এবং জেরুসালেম ওয়াকফের ডিরেক্টর জেনারেল শেখ আজাম অল-কাতিবের কথায়, ‘‘প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে এই প্রার্থণা ঘরের বাইরে নিরাপত্তাকর্মীদের ঘর থেকেই আগুন ছড়িয়েছে। তবে কী ভাবে আগুন লাগলো সেটা এখনও অজানা। দমকল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, না হলে বড় বিপর্যয় হতে পারত।’’
শতাব্দী প্রাচীন এই মসজিদের বিপর্যয়ে হাহাকার শুরু হয়েছে জেরুসালেমের মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে। প্রেসিডেন্ট মহম্মদ আব্বাস বলেছেন, ‘‘সেই সময় মসজিদে উপস্থিত সব মানুষই সুরক্ষিত আছেন। তবে প্যারিসের ঘটনা খুবই ভয়াবহ ও দুঃখজনক। সেখানকার বন্ধুদের জন্য আমার সমবেদনা রইল।’’
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/news-world-huge-fire-engulfs-the-famous-notre-dame-cathedral-of-paris/