
শেষ আপডেট: 9 June 2019 18:30
১৯৫৬ সালে নেব্রাস্কার ওমাহায় একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়েন। এর পরে অজস্র লুটপাট, ডাকাতি, ধর্ষণের ঘটনায় নাম জড়ায় তাঁর। অন্তত ২৫ বার কারাবাসও হয়। হত্যালীলার শুরু ১৯৭০ সাল থেকে। ১৯৮২ সালে মিসিসিপির ২২ বছরের এক যৌনকর্মীকে খুনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই মামলা চলাকালীনই জানা যায় ফ্লোরিডার প্যাট্রিশিয়া মাউন্ট নামে এক মহিলার খুনের অভিযোগ ওঠে। দু’টো খুনের ধরনই ছিল একই রকম। কিন্তু প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে যান স্যামুয়েল। ১৯৮৪ সালে লরি ব্যারস নামে এক মহিলাকে অপহরণের দায়ে ফের পুলিশের চোখে পড়েন স্যামুয়েল। তবে সেই মহিলাকে খুন করার আগেই পুলিশ পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। অপরাধীকে না পেলেও, মহিলাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
ওহায়োতেই অন্তত পাঁচটি খুনে নাম জড়ায় স্যামুয়েলের। ১৯৭০-২০০৫ সালের মধ্যে সব চেয়ে বেশি খুন করেছেন স্যামুয়েল ২০১৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় তাঁর শিকার হন তিন মহিলা। এফবিআই সূত্রে খবর, স্যামুয়েলের খুনের মানচিত্রে ছিল আরও অনেক রাজ্যের নাম যেমন— আরিজোনা, আরকানাস, ক্যালিফোর্নিয়া, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, ইলিনয়েস, লউসিয়ানা, মেরিল্যান্ড, মিসিসিপি, নেভাদা, ওহিও, দক্ষিণ ক্যারোলিনা, টেনেসি, টেক্সাস ইত্যাদি।
টেক্সাস, এক্টর কাউন্টির আইনজীবী ববি ব্লান্ড জানিয়েছেন, শুরুতে অস্বীকার করলেও জীবনের সব রহস্য়ের পর্দাই একে একে খুলছেন স্যামুয়েল। ১৯৭০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত যতগুলো খুন তিনি করেছেন সেই সংখ্যার হিসেব দাঁড়িয়েছে ৬০-এ। এর পরেও আরও ডজন খানেক খুন করেছেন স্যামুয়েল। তার হিসেব মিললে সংখ্যাটা ৯০-১০০ ছুঁতে পারে বলেই মনে করছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/here-are-worlds-deadly-serial-killers/