Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিত

ডিসেম্বরের শেষেই আসবে করোনার টিকা, বাইশে ভাইরাস-মুক্ত হবে আমেরিকা: অ্যান্থনি ফৌজি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডিসেম্বরের শেষেই করোনার টিকা চলে আসবে। দেরি হলেও একুশের শুরু। আশ্বস্ত করলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশিয়াস ডিজিজের ডিরেক্টর ও হোয়াইট হাউসের মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এপিডেমোলজিস্ট অ্যান্থনি ফৌজি। ভ্যাক

ডিসেম্বরের শেষেই আসবে করোনার টিকা, বাইশে ভাইরাস-মুক্ত হবে আমেরিকা: অ্যান্থনি ফৌজি

শেষ আপডেট: 30 October 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডিসেম্বরের শেষেই করোনার টিকা চলে আসবে। দেরি হলেও একুশের শুরু। আশ্বস্ত করলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশিয়াস ডিজিজের ডিরেক্টর ও হোয়াইট হাউসের মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এপিডেমোলজিস্ট অ্যান্থনি ফৌজি। ভ্যাকসিনের সেফটি ট্রায়ালের রিপোর্ট চলে আসবে আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই, বলেছেন ফৌজি। এখন মোডার্না বায়োটেক নাকি ফাইজারের টিকা আগে আসবে সে নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের ডিরেক্টর ডক্টর ফ্রান্স কলিন্স বলেছেন, মোডার্না বায়োটেকের টিকা শেষ পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে। ফাইজার ও জার্মান সংস্থা বায়োএনটেক নভেম্বরের মধ্যেই টিকার সেফটি ট্রায়ালের রিপোর্ট জমা দেবে। দুই সংস্থার টিকারই বিপুল পরিমাণ ডোজ তৈরির পরিকাঠামো প্রস্তুত আছে। কাজেই আশা করা যায় ডিসেম্বরের শেষেই বাজারে ভ্যাকসিন চলে আসার সম্ভাবনা প্রবল। ফৌজি বলেছেন, আগামী বছরের মাঝামাঝি আমেরিকার বেশিরভাগ নাগরিকেরই টিকাকরণ হয়ে যাবে। ২০২২ সালের মধ্যেই আমেরিকাবাসী ভাইরাস-মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার সঙ্গে ভ্যাকসিন দৌড়ে সমান তালে পাল্লা দিচ্ছে আমেরিকার দুই ফার্মা জায়ান্ট মোডার্না বায়োটেক ও ফাইজার। Moderna rakes in over $1bn in deposits for potential Covid vaccine | Financial Times মোডার্না বায়োটেক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকসিয়াস ডিজিজের ডিরেক্টর এবং হোয়াইট হাউসের মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এপিডেমোলজিস্ট অ্যান্থনি ফৌজির তত্ত্বাবধানে এমআরএনএ ভ্যাকসিন বানিয়েছে মোডার্না। এই গবেষণায় রয়েছেন এনআইএইচের অধীনস্থ ভ্যাকসিন রিসার্চ সেন্টারের (VRC)বিজ্ঞানীরা। সুইৎজারল্যান্ডের অন্যতম বড় ভ্যাকসিন ও ওষুধ নির্মাতা সংস্থা লোনজ়া গ্রুপ এজির সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তিও হয়েছে মোডার্নার। তাদের তরফেই দাবি করা হয়েছে, কুড়ি সালের শেষেই টিকা নিয়ে আসতে পারে মোডার্না। টিকার বিপুল উৎপাদনের প্রস্তুতিও চলছে। বছরে প্রায় ৩০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। মোডার্নার ভ্যাকসিন ট্রায়ালের প্রথম পর্বের রিপোর্ট চলে এসেছে আগেই। সেই রিপোর্টে গবেষকরা দাবি করেছিলেন, টিকার ডোজে অন্তত ৯০ শতাংশ মানুষের শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তবে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের ট্রায়ালের রিপোর্টই সামনে এনেছিল মোডার্না। পরে জানা যায়, ৫৫ বছরের বেশী বয়সীদেরও টিকার ইঞ্জেকশন দিয়ে সম্ভাব্য ফল খতিয়ে দেখেছেন ভাইরোলজিস্টরা। সাধারণত দেখা যায়, ৫০ বছরের বেশী বয়সীদের শরীরে টিকার ডোজে তেমনভাবে ইমিউনিটি তৈরি হয় না। কিন্তু মোডার্না ভ্যাকসিনের ডোজে রোগ প্রতিরোধ শক্তি তৈরি হচ্ছে বয়স্কদের মধ্যেও।   ফাইজার জার্মান বায়োটেকনোলজি ফার্ম বায়োএনটেক এসই-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কোভিড ভ্যাকসিন বানিয়েছে ফাইজার। এই আরএনএ ভ্যাকসিন দেহকোষকে ভাইরাল প্রোটিন তৈরিতে বাধ্য করে যাতে তার প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি শরীরেই তৈরি হয়ে যায়। এই গবেষণার নেতৃত্বে রয়েছেন জার্মানির বায়োএনটেকের অধ্যাপক উগার সাহিন। এই আরএনএ ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের নাম BNT162। মানুষের শরীরে ‘মেমরি বি সেল’ তৈরি করবে যা থেকে দেহকোষে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হবে। অ্যান্টিবডি বেসড ইমিউন রেসপন্স বা অ্যাডাপটিভ ইমিউন রেসপন্স তৈরি করবে এই ভ্যাকসিন। ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। ফাইজারের চিফ একজিকিউটিভ অফিসার অ্যালবার্ট বোরলা বলেছেন, টিকার চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়ালে আশা জাগছে। টিকার ডোজের মাত্রাও নির্ধারণ করা হয়ে গেছে। উৎপাদন শুরু হচ্ছে। জার্মান সংস্থা বায়োএনটেকের সহযোগিতায় টিকার সুরক্ষা ও কার্যকারীতা নিশ্চিত করা গেছে। প্রায় ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে টিকার ইঞ্জেকশন দিয়ে কোনও অ্যাডভার্স সাইড এফেক্টস দেখা যায়নি।

```