
শেষ আপডেট: 18 August 2019 18:30
হংকং বিমানবন্দরে ধর্না-বিক্ষোভ শিথিল হওয়ার পর থেকেই উদ্বেগটা বাড়ছিল। প্রায় দশ সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ থামাতে চিন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে সেই ধারণা আগেই তৈরি হয়েছিল বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। সেটা সত্যি হতে দেখা যায় গত বৃহস্পতিবার। লাল পতাকা উড়িয়ে ট্রাক বোঝাই করে হংকং সীমান্তে ঢুকে পড়ে হাজারে হাজারে চিনা সেনা। সীমান্ত লাগোয়া শেনঝেনের স্টেডিয়ামে চিনা সেনাদের কুচকাওয়াজ করতেও দেখা যায়। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, হংকং-এ হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করেছেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা আইন, নৈতিকতা ও মানবতাবিরোধী কাজ করছেন।
https://twitter.com/ZEisenstein/status/1163264560213700610
আরও পড়ুন: প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভকারীদের তাণ্ডব, একশোরও বেশি উড়ান বাতিল হংকং বিমানবন্দরে
চিনের সরকারি দৈনিক, গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীরা যদি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে, তাহলে চিন যে কোনও মুহূর্তে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে এখনই বড় কোনও দমন পীড়নের ঘটনা ঘটবে বলে মনে করছে না হংকং প্রশাসন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, ‘‘আন্দোলন চলবে। আমরা শান্তির পক্ষে। আশা রাখছি, সরকার আমাদের ভাবনাকে গুরুত্ব দেবে।’’
বহু বছর ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল হংকং। ২২ বছর আগে ক্ষমতা হস্তান্তরিত হয় চিনের কাছে। তার পর থেকে স্বশাসিত এই অঞ্চলের মূল কর্তৃত্ব বেজিংয়ের হাতে। মাসখানেক আগে চিনের অনুগত ক্যারি ল্যাম প্রত্যর্পণ বিল আনার প্রস্তাব দেন পার্লামেন্টে। যা আইন হলে বিচারের প্রয়োজনে কোনও অপরাধীকে হংকং থেকে চিনে প্রত্যর্পণ করতে আর বাধা থাকবে না। এর পরেই ল্যামের ইস্তফা চেয়ে রাস্তায় নামেন মানুষজন। প্রবল প্রতিবাদে সেই বিল আনা স্থগিত রাখেন ল্যাম। তাতেও বিক্ষোভ থামেনি। গত সোমবার হংকং বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরে প্ল্যার্ড হাতে ধর্নায় বসেন হাজার পাঁচেক বিক্ষোভকারী। স্থগিত রাখা হয় বিমান পরিষেবা। বাতিল হয় ২০০টিরও বেশি উড়ান।
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/chinese-paramilitary-forces-are-gathered-near-hong-kong-border/