নিউজিল্যান্ডের মসজিদ গণহত্যা: মৃত্যু পর্যন্ত জেলেই থাকবে অপরাধী ব্রেন্টন, মিলবে না প্যারোল
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছরের মার্চ মাসের ১৫ তারিখ। আচমকা এক ভয়ানক হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয় শান্তিপ্রিয় দেশ নিউজিল্যান্ড। ইতিহাসে কখনও যা হয়নি, তাই ঘটে যায়। এক বন্দুকবাজের হামলায় ক্রাইস্টচার্চ এলাকার দু'টি মসজিদে খুন হয়ে যান ৫১ জন! আল নূর মসজিদ এ
শেষ আপডেট: 27 August 2020 07:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছরের মার্চ মাসের ১৫ তারিখ। আচমকা এক ভয়ানক হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয় শান্তিপ্রিয় দেশ নিউজিল্যান্ড। ইতিহাসে কখনও যা হয়নি, তাই ঘটে যায়। এক বন্দুকবাজের হামলায় ক্রাইস্টচার্চ এলাকার দু'টি মসজিদে খুন হয়ে যান ৫১ জন! আল নূর মসজিদ এবং লিনউড ইসলামিক সেন্টারের ছাড়াও অ্যাশবার্টন মসজিদে হামলার পরিকল্পনা ছিল বন্দুকবাজের। তবে তৃতীয় মসজিদে যাবার পথে তাকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া যুবক, ২৯ বছরের ব্রেন্টন হ্যারিসন টরান্ট দোষী সাব্যস্ত হয় এক বছর ধরে মামলা চলার পরে। শেষমেশ আজ, বৃহস্পতিবার তার যাবজ্জীবন কারাবাস ঘোষণা করল নিউজিল্যান্ডের আদালত। শুধু তাই নয়, ওই অস্ট্রেলিয়ান যুবক আজীবন প্যারোল পাবে না এবং কোনও রকম আবেদনও করতে পারবে না বলেই জানিয়েছেন বিচারক। অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি দিন তাকে কারাগারেই কাটাতে হবে এখন থেকে।
নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে এই প্রথম কাউকে এমন সাজা দেওয়া হল।
রায় শোনার পরে খুশি নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডের্ন। তিনি বলেন, "এ ট্রমা সহজে শেষ হওয়ার নয়। কিন্তু আজ আমি নিশ্চিত হতে পারি, যে এখন থেকে আর নতুন করে কোনও সন্ত্রাসীর নাম শুনতে হবে না। সর্বশেষ সন্ত্রাসের ঘটনাটি ঘটে গেছে নিউজিল্যান্ডে। সারাজীবন চুপ করে থাকার জন্যই ওই অপরাধীর এই সাজা প্রাপ্য।"
![summary] New Zealand's PM turned away from cafe under coronavirus restrictions](https://summarizer.co/static/new-zealand-s-pm-turned-away-f-200517121715-01-jacinda-ardern-0506-super-tease.jpg)
আজ বৃহস্পতিবার সাজা ঘোষণার পরে বিচারপতি ক্যামেরন মান্ডের জানান, এমন ঘৃণ্য অপরাধের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের কারাবাস যথেষ্ট নয়। তিন বছরের শিশুও তার হাত থেকে রক্ষা পায়নি। মৃত্যু পর্যন্ত জেলবন্দি থাকলেও সে সাজা কম। এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, এই এক বছরে কৃত অপরাধের জন্য কোনও অনুশোচনা নেই দোষীর মনে। একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃণা বহাল রয়েছে এখনও।

হামলার শিকার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তাঁদের নিহত প্রিয়জনেরা আর ফিরবেন না। কিন্তু সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দেশের এই কড়া পদক্ষেপ প্রশংসনীয়।