
শেষ আপডেট: 14 August 2023 13:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অনুমানকে ছাপিয়ে গিয়ে মুদ্রাস্ফীতির হার (inflation rate) ৭.৪৪ শতাংশে (7.44 percent) পৌঁছে গেল। জুলাই মাসে ভারতের উপভোক্তা মূল্য সূচক (India's consumer price index-CPI) যে হারে বাড়ল তাতে মোদী সরকারের কপালে ভাঁজ পড়াই স্বাভাবিক। ভোট বছরে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পরিস্থিতি এমন থাকলে তা মোটেই ভাল খবর নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। হিসাব মতো গত ৯ মাসে এই প্রথম মূদ্রাস্ফীতির হার এতটা বেড়ে গেল। গত জুন মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৪.৮৭ শতাংশ।
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতে, মুদ্রাস্ফীতির হার ৬ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা সহনশীল বলে ধরে নিতে হবে। কিন্তু সোমবার সরকার যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে তাতে পরিষ্কার যে বিষয়টা সহনশীলতার সীমা ছাড়িয়ে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হল, উপভোক্তা খাদ্য মূল্য সূচক (Consumer food price index-CFPI) জুলাই মাসে পৌঁছে গিয়েছে ১১.৫১ শতাংশে। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে কোভিড কালে ঠিক এই হারে খাদ্য মূল্য সূচক বেড়েছিল। তার পর থেকে এতটা আর বাড়েনি। এর অর্থ হল, খাবার দাবারের জন্য দেশের মানুষকে এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের কারও কারও মতে, খাবারের দাম সামান্য বাড়লে মুদ্রস্ফীতি তথা উপভোক্তা মূল্য সূচকের উপর বড় প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। শাক সবজি, ধান, গম, দুধ সবের দামই বেড়েছে। কিন্তু দাম বাড়লেই মানুষ তা কেনা কমিয়ে দিয়েছে তা নয়। অনেককেই হিসাবের বাইরে গিয়ে খরচ করতে হচ্ছে। তার ফলে মধ্যবিত্তর সংসারের বাজেট তথা হিসাব ঘেঁটে গিয়েছে।
পরিস্থিতি যে এদিকে যেতে চলেছে তার ইঙ্গিত সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় পাওয়া গিয়েছিল। ৫৩ জন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদকে নিয়ে সংবাদসংস্থা রয়টার্স একটি সমীক্ষা করেছিল। তাতে বলা হয়েছিল জুলাই মাসে মুদ্রাস্ফীতির ৬.৪০ শতাংশে পৌঁছে যাবে। ফলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে সীমার মধ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার ধরে রাখার কথা বলছে, তা হবে না। এদিন সরকার পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে দেখা গেল তাঁদের আশঙ্কাই সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে।
১০০ বছরে একসঙ্গে সিনেমা দেখেনি এত মানুষ, শুক্র থেকে রবি বিপুল টাকা আয় বক্স অফিসে