Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

করোনার ধাক্কা, জুলাইতে শিল্পোৎপাদন কমল ১০ শতাংশের বেশি

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত মার্চ মাসের শেষে করোনা অতিমহামারী ঠেকাতে দেশ জুড়ে লকডাউন শুরু হয়। তারপর এপ্রিল থেকে জুলাই, পরপর চারমাস দেশে কমেছে শিল্পোৎপাদন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, জুলাইতে শিল্পোৎপাদন কমেছে ১০.৪ শতাংশ। জুন মাসে শিল্পোৎপাদন ক

করোনার ধাক্কা, জুলাইতে শিল্পোৎপাদন কমল ১০ শতাংশের বেশি

শেষ আপডেট: 11 September 2020 14:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত মার্চ মাসের শেষে করোনা অতিমহামারী ঠেকাতে দেশ জুড়ে লকডাউন শুরু হয়। তারপর এপ্রিল থেকে জুলাই, পরপর চারমাস দেশে কমেছে শিল্পোৎপাদন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, জুলাইতে শিল্পোৎপাদন কমেছে ১০.৪ শতাংশ। জুন মাসে শিল্পোৎপাদন কমেছিল ১৬.৬ শতাংশ। অর্থনীতিবদরা ভেবেছিলেন, জুলাইতে কমবে ১১.৫ শতাংশ। বাস্তবে অবশ্য শিল্পোৎপাদন তত কমেনি। দেশে শিল্পোৎপাদন কী পরিমাণে হয়েছে, তা স্থির করার জন্য একটি সূচক আছে। তার নাম ইনডেক্স অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন। খনি, ম্যানুফ্যাকচারিং ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ অনুযায়ী ওই সূচক ওঠানামা করে। সরকারি তথ্যে জানা গিয়েছে, ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে উৎপাদন কমেছে ১১.১ শতাংশ। খনি ক্ষেত্রে উৎপাদন কমেছে ১৩ শতাংশ। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ২.৫ শতাংশ। একইসঙ্গে সরকারি তথ্যে দেখা গিয়েছে, সম্প্রতি রেলে পণ্য পরিবহণ বেড়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে রাজস্ব আদায়। এরই মধ্যে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে রেটিং এজেন্সি ক্রিসিল। ওই সংস্থার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার 'মাইনাস নাইন নাউ' নামে একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, আগে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে যে ভবিষ্যৎবাণী করা হয়েছিল, এখন তার সংশোধন করা হল। কারণ ভারতে কোভিড সংক্রমণ এখনও শীর্ষে পৌছায়নি। তাছাড়া সরকার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য বড় কোনও আর্থিক ঘোষণাও করেনি। তাই অর্থনীতির যতদূর সংকোচন হবে বলে আগে আশঙ্কা করা হয়েছিল, বাস্তবে সংকুচিত হবে তার চেয়ে বেশি। একইসঙ্গে আশার কথা শুনিয়েছে ক্রিসিল। তাদের ধারণা, আগামী আর্থিক বছরে অর্থনীতির বিকাশ হবে ১০ শতাংশ। চলতি আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে, অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে ২৩.৯ শতাংশ। ক্রিসিল ভবিষ্যৎবাণী করেছিল, সংকোচন হবে ২৫ শতাংশ। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে অর্থনীতি ১২ শতাংশ সংকুচিত হবে বলে ক্রিসিল মনে করে। গত জুলাই ও অগাস্ট মাসে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের কিছু উন্নতি হয়েছে। কিন্তু তার পরেও মোটের ওপরে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে অর্থনীতির বিকাশের হার ঋণাত্মক হবে বলে ক্রিসিল মনে করছে। ২০২২ সালের আগে অর্থনীতি প্রাক-কোভিড স্তরে পৌছবে বলে ক্রিসিল মনে করে না। তার পরেও তিন বছর ধরে বার্ষিক বিকাশ হবে ৬.২ শতাংশ হারে। করোনা অতিমহামারীর ফলে ভারতের জিডিপি-র মোট ১৩ শতাংশ ক্ষতি হবে বলে ক্রিসিল মনে করে। অর্থাৎ ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৩০ লক্ষ কোটি টাকা। ক্রিসিলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রাক অতিমহামারী স্তরে ফিরে আসতে গেলে ভারতের অর্থনীতিকে আগামী তিন বছর বিকশিত হতে হবে ১৩ শতাংশ হারে। যা কার্যত অসম্ভব।

```