দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবার ভারতে করোনা রোগীর সংখ্যা হল ৩ লক্ষ ৪ হাজার ১৯। মাত্র কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে ‘আনলক ওয়ান’ প্ল্যান। তারপরেই ব্যাপক হারে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। বিশ্বে যে ১০ টি দেশে করোনায় সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন, তার মধ্যে ভারতের স্থান চার নম্বরে। দেশে মৃতের সংখ্যা ৮৪৯৮। এখনও পর্যন্ত সেরে উঠেছেন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৯৫ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, সেরে ওঠার হার ৪৯.৪৭ শতাংশ। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দেশে অসুস্থের চেয়ে সেরে ওঠা মানুষের সংখ্যা ছিল বেশি।
শুক্রবার মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ লক্ষ। এদিন মারা গিয়েছেন ১২৭ জন। সব মিলিয়ে ওই রাজ্যে মারা গিয়েছেন ৩৭১৭ জন। সেখানে সেরে ওঠার হার ৪৭.৩ শতাংশ। ওই রাজ্যে রেমডেসিভির ওষুধটি করোনা আক্রান্তদের ওপরে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
দিল্লিতে আম আদমি পার্টি সরকারের ধারণা, জুলাইয়ের শেষে শহরে রোগীর সংখ্যা বাড়বে ২০ গুণ। তখন পাঁচ লক্ষের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হবেন। হাসপাতালগুলিতে অত লোকের চিকিৎসা সম্ভব হবে না। কঠিন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাজধানীতে ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলিকে ফিল্ড হাসপাতালে পরিণত করা হচ্ছে। দিল্লি সরকার জানিয়েছে, লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হবে না।
শুক্রবার গবেষকরা জানিয়েছেন, করোনা অতিমহামারীতে বিশ্ব জুড়ে আরও ৩ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ চরম দারিদ্রের শিকার হবেন। অর্থাৎ দৈনিক ১৩০ টাকার কম খরচ করে তাঁদের জীবনধারণ করতে হবে। আগামী দিনে বিশ্বে ১০০ কোটির বেশি মানুষ হবেন ‘অতি দরিদ্র’। তাঁদের মাথা পিছু আয় কমবে ২০ শতাংশ পর্যন্ত।
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, অর্থমন্ত্রক ও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ঋণের সুদ মকুব করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিক। কেন্দ্রীয় সরকার এপ্রিল ও মে মাসের মুদ্রাস্ফীতির তথ্য প্রকাশ বন্ধ রেখেছে। ওই সময় দেশে লকডাউন চলছিল। তখন সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনি।