Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইন

২০ বছরে এই প্রথমবার পেট্রলের চাহিদা কমল ভারতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কোভিড অতিমহামারীর ফলে সংকুচিত হয়েছে ভারতের অর্থনীতি। ফলে দুই দশকে এই প্রথমবার দেশে কমেছে পেট্রলের চাহিদা। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে পেট্রল, ডিজেল, গ্যাসোলিন ও জেট ফুয়েলের চাহিদা কমেছে ১০.৮ শতাংশ। গত বছর মোট ১৯৩ কোটি ৪০ ল

২০ বছরে এই প্রথমবার পেট্রলের চাহিদা কমল ভারতে

শেষ আপডেট: 11 January 2021 10:12

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কোভিড অতিমহামারীর ফলে সংকুচিত হয়েছে ভারতের অর্থনীতি। ফলে দুই দশকে এই প্রথমবার দেশে কমেছে পেট্রলের চাহিদা। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে পেট্রল, ডিজেল, গ্যাসোলিন ও জেট ফুয়েলের চাহিদা কমেছে ১০.৮ শতাংশ। গত বছর মোট ১৯৩ কোটি ৪০ লক্ষ টন পেট্রল ও পেট্রলিয়ামজাত পণ্য ব্যবহার করা হয়েছে দেশে। গত পাঁচ বছরে এই প্রথমবার এত কম পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহৃত হয়েছে। এশিয়ায় যে দেশগুলি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে জ্বালানি আমদানি করে, তাদের মধ্যে ভারত রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। গতবছর মার্চের শেষে লকডাউন শুরু হওয়ার পরে ভারতে জ্বালানির চাহিদা আচমকা ৭০ শতাংশ কমে যায়। চলতি আর্থিক বছরের প্রথম দু'টি ত্রৈমাসিকে ভারতের মোট জাতীয় উৎপাদন সংকুচিত হয়েছে। ফলে সরকারিভাবে মন্দার কবলে পড়েছে দেশ। তবে প্রথম ত্রৈমাসিকের তুলনায় দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে সংকোচন হয়েছে কম। প্রথম ত্রৈমাসিকে লকডাউনে সব বন্ধ ছিল। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে আনলক পর্ব শুরু হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কার্যকলাপ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ফলে জিডিপির সংকোচন হয়েছে কম হারে। অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, ডিসেম্বরে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে জিডিপির সংকোচনের হার আরও কমবে। তখন মোট জাতীয় উৎপাদন সংকুচিত হবে তিন শতাংশ। আর্থিক বছরের শেষ ত্রৈমাসিকে জিডিপি সংকুচিত হবে ০.৫ শতাংশ। সামগ্রিকভাবে ২০২০-২১ সালের আর্থিক বছরে অর্থনীতি সংকুচিত হবে সম্ভবত ৮.৭ শতাংশ। সেক্ষত্রে ধরে নিতে হবে গত চার দশকে চলতি আর্থিক বছরেই সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতির। লকডাউনের ফলে হাজার হাজার মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বিরাট সংকটে পড়েছে অর্থনীতি। অর্থনীতিবিদরা আশা করছেন, আগামী বছরের শুরুতে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়বে। ইতিমধ্যে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬ হাজার ৩১১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে ১১ জানুয়ারি, সকাল ৮টা পর্যন্ত ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৫ জন। বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ১৬০ জন। ভারতে করোনায় মৃত্যুহার ১.৪৪ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে ১৬ জানুয়ারি থেকে দেওয়া শুরু হচ্ছে ভ্যাকসিন। এর ফলে আগামী দিনে অতিমহামারীর প্রভাব কাটিয়ে বাজার চাঙ্গা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

```