শেষ আপডেট: 30 April 2020 07:22
গরিমার স্বামী, ৩৭ বছরের মনমোহন মলের দেহ উদ্ধার হয় হাডসন নদী থেকে। পুলিশের ধারণা, আত্মহত্যা করেছেন তিনি। যদিও ময়না-তদন্তের রিপোর্ট না আসা অবধি এখনও কিছু নিশ্চিত করে বলেনি পুলিশ।
জানা গেছে, গরিমা কোঠারি পেশায় একজন শেফ ছিলেন। রন্ধনজগতে তাঁর সুখ্যাতিও ছিল। মনমোহন মল আইআইটি থেকে পাস করে আমেরিকায় এসেছিলেন, কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স করিলেন। তাঁদের দু'জনের একটা রেস্তরাঁও ছিল। নাম 'নুক্কড'। নিউ জার্সিতে তাঁরা যেখানে থাকতেন, তার কাছাকাছিই ছিল রেস্তরাঁটি। রেস্তরাঁর এক কর্মীর কথায়, "ওঁরা খুবই খুশি ও সুখী দম্পতি ছিলেন। দেখে তাই মনে হতো সব সময়।"
মনমোহনের পরিবার সূত্রের খবর, তিনি তাঁর কেরিয়ারে খুবই প্রতিভাবান বলে পরিচিত। একই সঙ্গে সকলকে যত্ন করতে পারারও গুণ ছিল তাঁর। গরিমাকেও দক্ষ শেফ হিসেবেই চিনতেন সকলে। মনমোহনের পরিবার এও বলেছেন, গরিমা খুবই হাসিখুশি মেয়ে, নিজের কাজের প্রতিও খুব সিরিয়াস ছিলেন।
কেন, কারা খুন করল গরিমাকে, সেই খুনের সঙ্গে মনমোহনের যোগ আছে কিনা, মনমোহনই বা কেন আত্মহত্যা করলেন-- এই সবটাই ঘন ধোঁয়াশা পুলিশের কাছে। এখনও কোনও সূত্র, কোনও ক্লু তারা পায়নি বলেই জানিয়েছে। তাঁদের কারও সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা বা অশান্তির খবরও নেই সাম্প্রতিক অতীতে। কী থেকে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল, আন্দাজ করতে পারছেন না কেউ।