Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কানাডায় খুন ভারতীয় যুবক, জাতিবিদ্বেষের শিকার বলে সন্দেহ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত রবিবার রাত দু’টোয় কানাডার (Canada) ত্রুরো টাউনের এক অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পুলিশকে এক ব্যক্তি ফোন করেন। পুলিশ দ্রুত পৌঁছায় ৪৯৪ রোবি স্ট্রিটের সেই অ্যাপার্টমেন্টে। সেখানে দেখা যায়, গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন এক যুবক। ত্রুর

কানাডায় খুন ভারতীয় যুবক, জাতিবিদ্বেষের শিকার বলে সন্দেহ

শেষ আপডেট: 8 September 2021 11:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত রবিবার রাত দু’টোয় কানাডার (Canada) ত্রুরো টাউনের এক অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পুলিশকে এক ব্যক্তি ফোন করেন। পুলিশ দ্রুত পৌঁছায় ৪৯৪ রোবি স্ট্রিটের সেই অ্যাপার্টমেন্টে। সেখানে দেখা যায়, গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন এক যুবক। ত্রুরো থানার অফিসার ডেভিড ম্যাকনেল জানান, ওই যুবকের নাম প্রভজিৎ সিং কাতরি। ২৩ বছরের ওই যুবক পরে মারা যান। তিনি দু’টি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন। ট্যাক্সিও চালাতেন। পুলিশ ওই মৃত্যুর ঘটনায় খুনের মামলা করেছে। খুনি সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তিনি ছাড়া পেয়েছেন। ম্যাকনেল বলেন, “আমরা কয়েকজনের নামে ওয়ারেন্ট জারি করেছি। একজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই ব্যক্তিকে এখনও সন্দেহভাজন বলে মনে করা হচ্ছে।” রবিবার রাতেই মৃতের আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করেন ম্যাকনেল। স্থানীয় প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়। ২০১৭ সালে প্রভজিৎ আসেন কানাডায়। ম্যাকনেল বলেন, “প্রভজিৎ ছিলেন কঠোর পরিশ্রমী। তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ছিল। এভাবে তিনি মারা যাবেন কেউ ভাবতে পারেনি। ওই যুবকের মৃত্যুতে স্থানীয় ভারতীয়রা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাঁরা চাঁদা তুলে মৃতদেহটি ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন”। স্থানীয় সি-টিভিতে বলা হয়েছে, প্রভজিৎ-এর বন্ধুরা আশঙ্কা করছেন, জাতিবিদ্বেষের জন্য তাঁকে খুন হতে হয়েছে। প্রভজিৎ-এর বন্ধু যতিন্দর কুমারদীপ বলেন, সে ছিল নিরীহ ছেলে। একসময় ট্যাক্সি চালাত। যতিন্দর বলেন, বন্ধুর মৃত্যুর পরে আমি ঘুমোতে পারিনি। ত্রুরো শহরে কয়েকজন ভারতীয় ছাত্র আছেন। তাঁদের বেশিরভাগ এসেছেন পাঞ্জাব থেকে। প্রায় সকলেই সকলকে চেনেন। প্রভজিৎ-এর মৃত্যুর পরে সকলেই খুব ভয়ে ভয়ে আছেন। যতিন্দরের কথায়, “আমরাও মানুষ। আমরা এই দেশের জন্য অনেক কাজ করেছি। আমাদের প্রতি এমন হওয়ার কারণ কী?” আগমপাল সিং নামে এক ব্যক্তি বলেন, “প্রভজিৎ নিঃসন্দেহে ভাল ছেলে ছিল। তার কিছুই চুরি হয়নি। এমনকি তার পকেটের ফোনটিও খুনি নেয়নি। কেন সে খুন হল বোঝা যাচ্ছে না। তার কোনও শত্রু ছিল না”। আগমপালের কথায়, “প্রভজিৎ ছিল নিরীহ ছেলে। সে কখনও খারাপ লোকজনের সঙ্গে মিশত না। কখনও ধূমপান করত না। মদ্যপান করত না। মাদকও স্পর্শ করেনি কখনও। তার বন্ধুর সংখ্যাও ছিল কম।” পরে আগমপাল বলেন, “প্রভজিৎ কখনও অচেনা লোকের সঙ্গে কথা বলত না। মনে হয় সে জাতিবিদ্বেষী অপরাধের শিকার হয়েছে।” পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'

```