জন্মদিনেই মৃত্যু ভারতীয় সেনা পাইলটের, ভুটানে ভেঙে পড়া চিতা হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার ছিন্নভিন্ন দেহ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিতা হেলিকপ্টারের দক্ষ পাইলটের জন্মদিনটা যে এ ভাবে মৃত্যুদিনে বদলে যাবে, সেটা ঘুণাক্ষরের টের পায়নি ভারতীয় সেনার প্রশিক্ষণ শিবির। ককপিটে ওঠার সময় তাঁর মুখে ছিল হাসি। ফিরে এসে হয়তো জন্মদিনটা পালন করতে সেনা বন্ধুদের সঙ্গেই। সে
শেষ আপডেট: 26 September 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিতা হেলিকপ্টারের দক্ষ পাইলটের জন্মদিনটা যে এ ভাবে মৃত্যুদিনে বদলে যাবে, সেটা ঘুণাক্ষরের টের পায়নি ভারতীয় সেনার প্রশিক্ষণ শিবির। ককপিটে ওঠার সময় তাঁর মুখে ছিল হাসি। ফিরে এসে হয়তো জন্মদিনটা পালন করতে সেনা বন্ধুদের সঙ্গেই। সেটা আর হলো না। ভুটানের ইয়োনফুলা বিমানবন্দরের কাছে ভেঙে পড়ে হেলিকপ্টারটি যখন উদ্ধার করা হয়, ভেতরে ঝলসে গেছে পাইলটের দেহ।
নিজের জন্মদিনটা ককপিটেই কাটাবেন ঠিক করেছিলেন রজনীশ। চিতা হেলিকপ্টারের দক্ষ পাইলট, লেফটেন্যান্ট কর্নেল রজনীশ পারমারের প্রশিক্ষণ রয়েছে যুদ্ধবিমানেও। দীর্ঘদিনের সঙ্গী, বন্ধু ভুটানের সেনা পাইলট ক্যাপ্টেন কালঝাঙ ওয়াংড়ির সঙ্গে ভারতীয় সেনা প্রশিক্ষণ দলের চিতা কপ্টারে চেপে দুপুরেই আকাশে উড়েছিলেন রজনীশ পারমের। অরুণাচলপ্রদেশের খেরমু থেকে বেলা ১টা নাগাদ রওনা দিয়েছিল রজনীশ-কালঝাঙের কপ্টার। সেনা প্রশিক্ষণের জন্য টহল দিতেই ছিল আজকের এই উড়ান।
বেলা সোয়া ১টা। চিতার সঙ্গে সমস্ত রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের। তার কিছুক্ষণ পরে খবর আসে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে ওই কপ্টার। উদ্ধারকাজে নামে বায়ুসেনার কপ্টার। গুয়াহাটি ও হাসিমারার কাছে তল্লাশি শুরু হয়। শেষে ভুটানের ইয়োনফুলার বিমানবন্দরের কাছে চিতা হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পায় বায়ুসেনার কপ্টার। সেনা সূত্র জানিয়েছে, দু'জন পাইলটকেই বাঁচানো যায়নি।
কী কারণে এই দুর্ঘটনা? প্রাথমিক ভাবে সেনা সূত্রে খবর, মেঘলা আকাশ ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার জন্য ভিস্যুয়ালে গড়বড় হয়। তাতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১৯৭০ সালে প্রথম চিতা হেলিকপ্টার তৈরি করে হ্যাল। ফ্রান্সের লামা এসএ ৩১৫ বি হেলিকপ্টারের আদলে চিতা তৈরি হয়েছিল। তাতে পাঁচজনের বসার জায়গা থাকে।
পড়তে ভুলবেন না
