দ্য ওয়াল ব্যুরো: সৌদি আরবের মাটিতে তাঁর ছেলেকে বেধড়ক পিটিয়েছে এক পাক নাগরিক। মারাত্মক জখম অবস্থায় হাসপাতালে তিনি, গত ২৩ দিন ধরে লড়ছেন ভেন্টিলেশন সাপোর্টে। এমনটাই দাবি করেছেন হায়দরাবাদের খাতিজা বেগম। তাঁর আবেদন, তিনি যোগাযোগ করতে পারছেন না ছেলের সঙ্গে, দেশে ফিরিয়ে আনা হোক তাঁকে।
খাতিজা বেগম জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে শেখ সাদিক গত তিন বছর ধরে সৌদি আরবের জেদ্দায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। গত ১৫ জুলাই তিনি এক পাক নাগরিকের হাতে ভয়াবহ হিংসার শিকার হন। জেদ্দার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। খবর পেয়ে পাগলের মতো খোঁজ শুরু করেন খাতিজা। জানতে পারেন হাসপাতালে ভর্তি থাকার কথা, কিন্তু গত ১০ দিন আর কোনও খোঁজ মেলেনি বলে দাবি তাঁর।
"হায়দরাবাদের আমাদের বাড়ি, সাদিক তিন বছর জেদ্দার একটা ওয়্যারহাউসে কাজ করছে। ১৫ জুলাই মারাত্মক মারা হয় ওকে, এখ পাকিস্তানি হঠাৎ হামলা করে। জেদ্দার কিং ফাহাদ জেনারেল হসপিটালে ভর্তি আছে বলে জেনেছি। ১০ দিন ধরে আর কোনও খবর পাইনি।"-- সংবাদমাধ্যমকে বলেন খাতিজা।
কেন্দ্রের কাছে তাঁর আবেদন, ছেলেকে তাঁর কাছে ফিরিয়ে আনুক সরকার। যে সংস্থার মারফত সাদিক সৌদি গিয়েছিল, মা খাতিজা বেগম তাঁদের তরফে জানতে পেরেছেন, সাদিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ২৩ দিন ধরে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন তিনি। কিন্তু শেষ ১০ দিন কেমন আছেন সাদিক, তা আর জানা যায়নি বলেই জানিয়েছেন তাঁর মা।
রিয়াধের ভারতীয় দূতাবাসে এবং জেদ্দার ভারতীয় কনস্যুলেটে এ বিষয়ে আবেদন জানিয়েছেন খাতিজা বেগম। ছেলে কেমন আছে এখন, তা জানতে ব্যাকুল তিনি। অফিসাররা এখনও কেউ কোনও খোঁজ দিতে পারেননি। কে বা কারা সাদিকের উপর হামলা করল, কেনই বা করল, সে বিষয়েও কিছুই জানা যায়নি এখনও।