
শেষ আপডেট: 18 June 2020 18:30
ভারত মহাসাগরে চিনের বাড়তে থাকা আধিপত্য বায়ুসেনার চিন্তার কারণ। তার উপরে গালওয়ান উপত্যকায় চিন ও ভারতীয় সেনাদের সংঘাতের আবহে যে চরম উত্তেজন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছ তাতে আগামী দিনে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হলে সবরকমভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে বায়ুসেনাকে। বছরের শুরুতেই সুখোই এয়ারক্রাফ্টের প্রথম স্কোয়াড্রন বসেছে তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলায়। সুখোইকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য এই ফাইটার জেট থেকে ব্রাহ্মস মিসাইল ছোড়ার প্রযুক্তিও যোগ করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সক্ষমতা অর্জনের পর থেকে সুখোই ভারতের যে কোনও প্রতিপক্ষের জন্য আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। ন্যাটো বাহিনীর হাতে থাকা টোমাহক বা ইজরায়েলের স্কাড ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী ভারতের ব্রাহ্মস। শব্দের চেয়েও দ্রুত গতিতে ছুটতে পারে ব্রহ্মস। ফাইটার জেট থেকে যে সব ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, সেগুলি ছোট এবং কম পাল্লার। ব্রাহ্মসের মতো ভারী এবং বড় পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পৃথিবীর কোনও বিমানবাহিনী আজ পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেনি। এই ব্রহ্মস নিয়ে আকাশে ওড়ার ক্ষমতা এবং সঠিক নিশানায় ব্রাহ্মস দিয়ে আঘাত শানাবার দক্ষতা, দুটোই আছে সুখোইয়ের। দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুকেও আঘাত করতে সক্ষম সুখোই।
পুরনো মিগ বাতিল করে মিগ-২৯ ফাইটার জেটের নয়া ভার্সনই এখন পাখির চোখ ভারতীয় বায়ুসেনার। ১৯৯০-২০০০ সালের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে আসে। এই মুহূর্তে ভারতের হাতে তিন স্কোয়াড্রন মিগ-২৯ রয়েছে। রাশিয়ার থেকে আরও ২১টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। ভারতের নৌবাহিনীর হাতেও মিগ-২৯-র ন্যাভাল ভার্সন রয়েছে। তবে শক্তি বাড়াতে আরও বেশি সংখ্যাক মিগ-২৯ দরকার বলেই মনে করছে বায়ু সেনা।