
শেষ আপডেট: 2 October 2020 18:30
সুপার হারকিউলিসকে বলা হয় কার্গো এবং এয়ারলিফ্ট এয়ারক্রাফ্ট। ককপিটে দু’জন পাইলট এবং একজন লোডমাস্টার লাগে। ২০১৭ সাল থেকে ভারতীয় বায়ুসেনায় রয়েছে সুপার হারকিউলিস। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলেন, ১৯ টনের বেশি ওজন বইতে পারে সুপার হারকিউলিস। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটারের বেশি। যে কোনও দুর্গম এলাকায় পৌঁছে যেতে পারে এই বিমান। পাহাড়ি এলাকায় ওঠানামা করার ক্ষমতাও আছে সুপার হারকিউলিসের। দিনে ও রাতে, আবহাওয়ার যে কোনও পরিস্থিতিতে এই কার্গো বিমানের উপর ভরসা রাখতে পারে বায়ুসেনা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্যারাট্রুপারদের পৌঁছে দিতে এই বিমানেরই দরকার হয়। সর্বোচ্চ ২৮ হাজার ফুট অবধি উচ্চতায় উঠতে পারে সুপার হারকিউলিস। ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া, উদ্ধারকাজের জন্য এই বিমান ব্যবহার করেন বায়ুসেনারা।
আমেরিকার থেকে কেনা আলট্রা-লাইট হাউইৎজার কামান ইতিমধ্যেই লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন করেছে ভারত। কৌশলগত বিশেষজ্ঞদের মতে, চিন-ভারত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় যেভাবে উত্তাপ বাড়ছে তাতে সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও আঁটোসাঁটো করতে ভারতীয় সেনার আর্টিলারি বাহিনীর জন্য হাউইৎজার কামান বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে। ১৪৫টি এম-৭৭৭ হাউইৎজার কেনার জন্য আমেরিকার সঙ্গে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছিল ভারত। ২০১৭ সালে প্রথম আলট্রা-লাইট হাউইৎজার আসে ভারতের হাতে। এম-৭৭৭ হাউইৎজার টাইটেনিয়ামের তৈরি। ওজনে ৪ টনের কাছাকাছি। সহজেই আকাশপথে উড়িয়ে এই কামানগুলিকে যে কোনও দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এম-১০৭, এম-৭৯৫, ইআরএফবি ও এম৯৮২—এই চার ধরনের গোলা ভরা যায় এই কামানে। ২৪-৪০ কিলোমিটার রেঞ্জ অবধি ভারী গোলাবর্ষণ করতে পারে হাউইৎজার কামান।