সাতদিনে সংক্রমণের হার সবচেয়ে কম, দেশে প্রতি দশ লক্ষে নতুন আক্রান্ত মাত্র ১১৯: স্বাস্থ্যমন্ত্রক
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনার নতুন স্ট্রেন নিয়েই শুধু চিন্তা। না হলে, দেশে কোভিড সংক্রমণের হার ক্রমশই কমছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, গত সাতদিনে সংক্রমণের হার ছিল সবচেয়ে কম। নতুন সংক্রমণ লাগামছাড়া হয়নি। ছ’মাসে রেকর্ড করে গতকালই দৈনিক
শেষ আপডেট: 29 December 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনার নতুন স্ট্রেন নিয়েই শুধু চিন্তা। না হলে, দেশে কোভিড সংক্রমণের হার ক্রমশই কমছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, গত সাতদিনে সংক্রমণের হার ছিল সবচেয়ে কম। নতুন সংক্রমণ লাগামছাড়া হয়নি। ছ’মাসে রেকর্ড করে গতকালই দৈনিক সংক্রমণ ১৬ হাজারে নেমেছিল। আজ কিছুটা বেড়ে ২০ হাজার টপকেছে ঠিকই, তবে কোভিড কার্ভ তেমনভাবে বাড়েনি।
ব্রিটেন ফেরত ২০ জন যাত্রীর শরীরে নতুন ভাইরাল স্ট্রেনের সন্ধান মিলেছে। বছর দুয়েকের একটি বাচ্চা মেয়েও নতুন স্ট্রেনে আক্রান্ত। স্বভাবতই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে দেশে। তাই এর মাঝেও ভাল খবর শুনিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। বলা হয়েছে, গত সাতদিনের হিসেবে দেখা গেছে প্রতি দশ লক্ষ মানুষের মধ্যে নতুন আক্রান্তদের সংখ্যা হাতে গোনা। গড় হিসেবে দেখা গেছে মাত্র ১১৯ জন। তাও অনেকেরই সংক্রমণ মৃদু। যেখানে ব্রিটেন ও আমেরিকায় এই হিসেবের অঙ্ক অনেকটাই বেশি।
https://twitter.com/MoHFW_INDIA/status/1344092762015059969
দেশে এখন কোভিড অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও কম। করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা অক্টোবরের শেষ থেকেই কমছিল। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে এখন করোনা অ্যাকটিভ কেসের হার ২.৫৬ শতাংশ। অ্যাকটিভ রোগী সংখ্যা তিন লাখের নিচে নেমে গেছে। যেভাবে সংক্রমণের হার কমছে তাতে ভাইরাস অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা খুব তাড়াতাড়ি ২ লাখে নেমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মৃত্যুহার আরও কমেছে দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসের সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ২৮৬ জন। কিছুদিন আগেই সংক্রমণে মৃত্যু পাঁচশো ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সুস্থতার হার বেড়েছে। ৯৮ লাখ করোনা রোগী সংক্রমণ সারিয়ে উঠেছেন। দেশে এখন করোনায় সুস্থতার হার ৯৫.৯৯%।
স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলছে, করোনার নতুন স্ট্রেন ভ্যাকসিনে নির্মূল করা সম্ভব। দেশে করোনার যে যে প্রতিষেধক তৈরি হয়েছে তাদের সবকটিই কার্যকরী হতে পারে নতুন স্ট্রেনের ওপরে। তবে সতর্কতা অনেক বেশি জরুরি বলেই জানিয়েছেন নীতি আযোগের সদস্য ডক্টর ভি কে পল। তাঁর বক্তব্য, নতুন স্ট্রেন ৭০ শতাংশ দ্রুতগতিতে ছড়াতে পারে। অনেক বেশি ছোঁয়াচে। তাই আগের চেয়েও বেশি সতর্কতা দরকার। দেশে করোনা সংক্রমণ এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, তাই নতুন স্ট্রেন যাতে ফের করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা দিতে না পারে সেজন্য প্রস্তুতি নিতে হবে এর মধ্যেই।