দ্য ওয়াল ব্যুরো : সম্প্রতি ভারত সফরে এসে ৭০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের কথা বলেছিলেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। কিন্তু ভারত সরকার তাঁর প্রস্তাবে খুশি হয়নি। তাদের ধারণা, অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টের মতো সংস্থা অনলাইনে নানা জিনিস বিক্রি করে বলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে। ভারত সরকারের ঠিক বিপরীত অবস্থানে দাঁড়িয়ে আইএমএফের চিফ ইকনমিস্ট গীতা গোপীনাথ বললেন, ভারতে এখন অনেক বিনিয়োগ দরকার। সরকারের উচিত বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া।
আমাজনের সিইও জেফ বেজোস ভারতে আসার ঠিক আগেই আমাজন ও ফ্লিপকার্টের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ভাবে তদন্ত শুরু করে কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (সিসিআই)। আমাজন ও ফ্লিপকার্ট কী ভাবে বিপুল অঙ্কের ছাড় দিয়ে জিনিস বিক্রি করছে তা তারা খতিয়ে দেখতে চায়। এই দুই ই-কমার্স সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা প্রতিযোগিতামূলক বাজারের নিয়ম ভেঙে বিপুল পরিমাণ ছাড় দিয়ে ক্রেতা ধরছে।
ছোট ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, তাঁরা যে দামে জিনিস কিনছেন যদি তার চেয়েও কম দামে ই-কমার্স সংস্থাগুলি পণ্য বিক্রি করে তা হলে প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে পারবেন না তাঁরা।
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বলেন, “তারা হয়তো একশো কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারে কিন্তু যদি তারা প্রতি বছর একশো কোটি টাকা করে লোকসানই করে থাকে তা হলে তো তাদের বিনিয়োগ করতেই হবে। অর্থাৎ তারা যদি একশো কোটি টাকা বিনিয়োগও করে তাহলেও তারা ভারতের খুব একটা উপকার করছে না।”
গীতা গোপীনাথকে প্রশ্ন করা হয়, পীযূষ গয়ালের মন্তব্যে কি বিনিয়োগকারীরা আশাহত হবেন? তিনি সরাসরি জবাব না দিয়ে বলেন, "ভারতে এখন অনেক বিনিয়োগ প্রয়োজন। এদেশে ভোগ্যপণ্যের বাজার এখনও দুর্বল। আমি মনে করি আরও বেশি বিনিয়োগ যাতে হয়, সেজন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা উচিত।"