
শেষ আপডেট: 8 December 2020 18:30
স্ম্যাশ-২০০০ প্লাসকে বলা হয় ‘স্মার্ট শ্যুটার’। একে-৪৭ ও একে-২০৩ রাইফেলে ইনস্টল করা যায় এই ফায়ারিং সিস্টেম। ড্রোন বা আকাশপথে উড়ে আসা যে কোনও এরিয়াল ভেহিকলকে এক শটেই উড়িয়ে দিতে পারে। ইলেকট্রো-অপটিক সাইট সিস্টেম আছে এই ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমে। দিনে ও রাতে সমানভাবে নিশানা লাগাতে পারে। আবহাওয়ার যে কোনও পরিস্থিতিতেই ফায়ার করতে পারে স্ম্যাশ স্মার্ট শ্যুটার।
ইজরায়েল থেকে কেনা সশস্ত্র হেরন ড্রোন রয়েছে ভারতের হাতে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা তথা এলএসিতে নজরদারি বাড়াতে এই ড্রোন নামানো হয়েছে। এই ড্রোনের নির্মাতা সংস্থা ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ। ১৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ড্রোন হাই-উইং ক্যান্টিলিভার মোনোপ্লেনের ডিজাইনে তৈরি। এর দুটো ডানার বিস্তৃতি প্রায় ২৬ মিটারের কাছাকাছি। হাজার কিলোগ্রামের বেশি ওজন বইতে পারে এই ড্রোন। এতে রয়েছে ইলেকট্রো-অপটিক্যাল টার্গেট সিস্টেম। রাতের বেলাতেও কাজ করতে পারে এই ড্রোন। এর বিশেষ ক্যামেরা যে কোনও আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে যে কোনও সময় শত্রু ঘাঁটির ছবি তুলে আনতে পারে। এতে রয়েছে ইলেকট্রনিক সাপোর্ট মেসারস (ESM), ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইনটেলিজেন্স (ELINT) এবং সিন্থেটিক অ্যাপার্চার রাডার (SAR)। উন্নতি প্রযুক্তির এই সশস্ত্র ড্রোন যুদ্ধক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়।
নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং বলেছেন, খুব তাড়াতাড়ি নৌসেনার হাতে অ্যান্টি-ড্রোন স্ম্যাশ-২০০০ ফায়ার সিস্টেম তুলে দেওয়া হবে। এই সিস্টেমের পাল্লা ১২০ মিটার। প্রথম শট ১২০ মিটার দূরে উড়ে গিয়ে নিশানায় আঘাত করতে পারে।
শত্রুসেনার ড্রোন উড়িয়ে দিতে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমও নামাচ্ছে ভারত। আকাশপথে শত্রুসেনার ড্রোন দেখলেই লেজার রশ্মি ছুড়ে ধ্বংস করে দিতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আকাশপথে ২.৫ কিলোমিটার অবধি লক্ষ্য স্থির করতে পারে এই সিস্টেম। এর রেডার টেকনোলজি এতটাই উন্নত যে, শত্রুপক্ষের ড্রোন বহুদূর থেকেই চিহ্নিত করে ফেলতে পারে। এই সিস্টেম যেমন বিপক্ষের ড্রোন চিহ্নিত করতে পারে তেমনি আকাশে তিন কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যে মাইক্রো-ড্রোনের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দিতেও পারে। লেজার রশ্মি ছুড়ে যে কোনও আধুনিক প্রযুক্তির ড্রোনকে ঘায়েল করতে পারে ডিআরডিও-র তৈরি এই অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম।