দ্য ওয়াল ব্যুরো: মৃত বলে ঘোষণা করেছিল সরকারি হাসপাতাল। বাড়ির লোক ‘মৃতদেহ’ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে দেখলেন প্রাণ আছে দেহে। ফের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে ৫৫ বছর বয়সী ওই মহিলাকে। সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল অবশ্য জীবিত রোগিণীকে মৃত ঘোষণা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে তেলঙ্গানার করিমনগরে। জাগতিয়াল জেলার রঙ্গাপেটে কনকাম্মা নিজের বাড়িতেই গত ৩১ মে পাথরের উপর পা পিছলে পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন। তাঁকে করিমনগরের সূর্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাঁকে পরীক্ষা করে ডাক্তারেরা একটি অস্ত্রোপচার করেন। তার পর কনকাম্মা কোমায় চলে যান। বাড়ির লোকদের হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, কনকাম্মার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়, তিনি মারা গেছেন। দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে হলা হয়ে পরিবারের লোকদের।
কনকাম্মার ‘মৃতদেহ’ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে অন্য আত্মীয়স্বজনকে খবর দেন তাঁর পরিবার। শেষকৃত্যের ব্যবস্থাও করা হয়। পরিবারের দাবি, শেষকৃত্যের আগে দেখা যায় ওই মহিলা ধীরে ধীরে নড়াচড়া করছেন। শ্বাসপ্রশ্বাসও নিচ্ছেন। তড়িঘড়ি বাড়ির লোকেরা তাঁকে জাগতিয়ালের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ভর্তি করানো হয়েছে কনকাম্মাকে।
মৃত বলে ঘোষণা করার পরে রোগীর বেঁচে ওঠার ঘটনা মাঝেমধ্যেই শোনা যায়। গত বছরেই এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার গুয়াতেং প্রদেশে। পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিলেন এক মহিলা। তাঁকে ঘটনাস্থলে পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন প্যারামেডিকরা। পাঠানো হয় মর্গে। সেখানে ফ্রিজারে রেখে দেওয়া হয় মহিলাকে। আচমকাই এক মর্গকর্মীর চোখে পড়ে দেহটি নড়াচড়া করছে। সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজার থেকে বার করে তাঁকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। বেঁচে যান ওই মহিলা।