
শেষ আপডেট: 8 December 2021 10:36
ভারতীয় সেনার কপ্টার ভেঙে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। ইতিহাস ঘাঁটলে চমকে উঠতে হয়। এর আগেও একাধিকবার এমন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। কখনও কাশ্মীর তো কখনও ভূটান বারে বারে সেনার কপ্টার ভেঙে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়েছেন আধিকারকরা।
যে চপারে এদিন রাওয়াত-সহ বাকিরা ছিলেন সেই একই মডেলের চপার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল অরুণাচলপ্রদেশের ভারত-চিন সীমান্তে। এমআই ১৭ চপার ভেঙে পড়েছিল ইটানগর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছেই ঘটে সেই দুর্ঘটনা। তবে সৌভাগ্য, দুই পাইলট-সহ চপারে থাকা কারওরই তেমন আঘাত লাগেনি।
গত ২২ সেপ্টেম্বর উধমপুর বেস থেকে কাশ্মীরের দিকে যাওয়ার সময়ে ভেঙে পড়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিতা-চেতক কপ্টার। ওই ঘটনায় মনোহ রোহিত কুমার এবং অর্জুন রাজপুত নামের দুই সেনার মৃত্যু হয়। সেই সময়ে সেনাবাহিনীর তরফে বলা হয়েছিল, রেডিও সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ফলেই ওই দুর্ঘটনা ঘটেছিল।
বছর পাঁচেক আগে সেনা কপ্টারে বড় দুর্ঘটনা হয়েছিল দার্জিলিংয়ে। ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর দার্জিলিংয়ের সুকনায় সামরিক ঘাঁটির কাছেই সেই কপ্টার ভেঙে পড়ে। মারা যান তিন উচ্চপদস্থ সেনা অফিসার। তাঁদের নাম মেজর সঞ্জীব লাথার, মেজর অরবিন্দ বাজালা এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল রজনীশ কুমার। এছাড়া আহত হয়েছিলেন আরও একজন।
গত ৩ অগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলার রঞ্জিত সাগর বাঁধ হ্রদের কাছে ভেঙে পড়ে আরও এক সেনার কপ্টার। পাঞ্জাবের পাঠানকোট থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওই রঞ্জিত সাগর লেকের জল তোলপাড় করে উদ্ধার অভিযান ও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেটি ছিল ধ্রুব সিরিজের কপ্টার। তাতে ছিলেন দুজন পাইলট। তবে তাঁরা দুজনেই বেঁচে গিয়েছেন।
২০১৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ভূটানের ইওনফুলা বিমানবন্দরের কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি কপ্টার ভেঙে পড়েছিল। তাতে দুজন পাইলট প্রাণ হারান। একজন ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাইলট এবং অন্যজন ছিলেন রয়্যাল ভূটানিজ সেনাবাহিনীর পাইলট। খারাপ আবহাওয়ার কারণে কপ্টারটি ভেঙে পড়েছিল।
