
শেষ আপডেট: 13 May 2020 18:30
মধ্যপ্রদেশের কিছু জেলায় সংক্রমণের হার কমলেও সার্বিকভাবে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে। সংক্রমণে মৃত ২৩২। দক্ষিণের রাজ্যগুলির মধ্যে তামিলনাড়ুতে সংক্রমণের হার বেশি। আক্রান্ত ৯২২৭। সেখানে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি আশা জাগাচ্ছে। মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরামে সংক্রমণ একেবারেই কমতির দিকে। করোনা মুক্ত রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে মিজোরামকে। শেষ একজন কোভিড রোগীও সেরে ওঠার পথে। তাঁর করোনা রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে।
করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও দেশের সুস্থতার হারও অধিক বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল। গতকাল সকালেই কেন্দ্রের বুলেটিনে দেখা গিয়েছিল সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ২৪ হাজার ৩৮৬ জন। আজ সকালে এই সংখ্যাই পৌঁছেছে ২৬ হাজার ২৩৪ জনে। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন ১৮৪৮ জন।
করোনা আক্রান্তদের আরও বেশি করে চিহ্নিত করতে দেশে কোভিড টেস্টের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার হর্ষ বর্ধন। তিনি বলেছিলেন, সোমবার ৮৬১৯১ পরীক্ষা হয়েছে। সেই সংখ্যা বুধবার থেকে ১ লক্ষ হয়ে যাবে। দেশের ৩৪৭টি সরকারি ও ১৩৭টি বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে এই পরীক্ষা হবে। কেন্দ্রের উদ্যোগেই দেশের ৭৫টি জেলায় করোনা পরীক্ষার বৃহত্তর উদ্যোগ নিয়েছে আইসিএমআর। হটস্পট চিহ্নিত এলাকাগুলি থেকে রোগীদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। দেশের ৩০ টি হাসপাতালে ১৫০০ জন রোগীকে নিয়ে অ্যান্টি-ভাইরাল কয়েকটি ওষুধের ক্নিনিকাল ট্রায়াল শুরু হবে বলে জানা গেছে। তার জন্য রোগীদের বেছে নেওয়া হবে।অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, লোপিনাভির-রিটোনাভির এবং লোপিনাভির-রিটোনাভিরের সঙ্গে ইন্টারফেরনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হবে।