
শেষ আপডেট: 13 July 2020 18:30
আজকের হিসেবে রাজধানীতে কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ৭৪০। তবে সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থও হয়েছেন প্রায় ৯১ হাজার রোগী। গুজরাট ও তামিলনাড়ুতেও কোভিড সংক্রমণ চিন্তার কারণ। গুজরাটে আক্রান্ত ৪২ হাজার ৭২২। তামিলনাড়ুতে ইতিমধ্যেই কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দেড় লাখ ছুঁতে চলেছে। কেরলে এখনও অবধি সংক্রামিত ৮ হাজার ৩২২। করোনা কার্ভ নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক আগামী এক বছরের জন্য পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে কেরলের পিনারাই বিজয়ন সরকার।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সুস্থতার হারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১৭ হাজার ৯৮৮ জন। দেশে মোট সুস্থ হয়ে ওঠাদের সংখ্যা ৫ লাখ ৭১ হাজার ৪৫৯। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য বলছে, ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে দেশে কোভিড রিকভারি রেট ৬৩.০২%। ১২ জুলাই অবধি দেশে মোট কোভিড টেস্টিং হয়েছে ১ কোটি ১৮ লক্ষ ৬ হাজার ২৫৬। ৮৫২টি সরকারি ও ৩৪৮টি বেসরকারি ল্যাবে চলছে করোনা পরীক্ষার কাজ।
করোনায় ‘আর নম্বর’তথা ‘এফেকটিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর’ কমেছে। গত ২৬ জুন থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে এক ধাক্কায় আর নম্বর ১.১১ থেকে ১.১৯ পয়েন্টে উঠে এসেছিল। চেন্নাইয়ের ইনস্টিটিউট অব ম্যাথেমেটিক্যাল সায়েন্সের গবেষকরা বলেছিলেন, সুস্থতার হার বাড়লেও করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার হার তথা ‘কোভিড ট্রান্সমিশন রেট’ মার্চের পরে সামান্য কমলেও দ্বিতীয় আনলক পর্যায়ে ফের এক লাফে বেড়ে গেছে। ইতিবাচক দিক হল গতকাল সোমবারের হিসেবে দেখা গেছে এই আর নম্বর আবারও কমে ১.১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আর নম্বর কমলে দেশে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যাও কমে যাবে। পাশাপাশি, একজন আক্রান্তের থেকে বেশিজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর হারও কমবে। ট্রান্সমিশন রেটও একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে আসবে। যে মুহূর্তে দেশের কোভিড ট্রান্সমিশন রেট স্থিতিশীল হবে, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিও কমতে থাকবে।