Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিত

৫৬ হাজার করোনা আক্রান্ত একদিনে, তবে মৃত্যুহার আরও কমেছে, সুস্থতার হার বেড়েছে ৬৭.৬২%

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিনের হিসেবে নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে ৫০ হাজারের বেশি। কখনও রেকর্ড ছাপিয়ে ৫৫ হাজারের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন একদিনে। গত মঙ্গলবার সংখ্যাটা কিছুটা কমে ৫২ হাজারে নেমেছিল। আজ, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয়

৫৬ হাজার করোনা আক্রান্ত একদিনে, তবে মৃত্যুহার আরও কমেছে, সুস্থতার হার বেড়েছে ৬৭.৬২%

শেষ আপডেট: 5 August 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিনের হিসেবে নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে ৫০ হাজারের বেশি। কখনও রেকর্ড ছাপিয়ে ৫৫ হাজারের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন একদিনে। গত মঙ্গলবার সংখ্যাটা কিছুটা কমে ৫২ হাজারে নেমেছিল। আজ, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সকালের বুলেটিনে দেখা গেল, ফের একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬ হাজার ২৮২ জন রোগী। তবে ইতিবাচক দিক হল, সুস্থতার হার বেড়েছে। মৃত্যুহার আরও কমেছে। কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখের গণ্ডি পেরিয়েছিল দু’দিন আগেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যাণ অনুযায়ী, দেশে এখন করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৬ জন। কোভিড অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ছ’লাখ ছুঁতে চলেছে। ভাইরাস সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৯০৪ জনের। দেশে কোভিড সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ৪০ হাজার ৬৯৯ জন। তবে ভাল দিক হল, কেন্দ্রের হিসেব বলছে মৃত্যুহার কমেছে। গত শনিবার অবধি মৃত্যুহার ছিল ২.১৫%। সোমবারের বুলেটিনে দেখা গেছে, মৃত্যুহার এক ধাক্কায় কমে দাঁড়িয়েছে ২.১৩ শতাংশে। গতকাল বুধবারের হিসেবে দেশে কোভিড ডেথ রেট আরও কমে পৌঁছেছিল ২.০৯ শতাংশে। আর আজ কোভিড ডেথ রেট আরও কিছুটা কমে পৌঁছেছে ২.০৭ শতাংশে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে করোনায় মৃত্যুহার সবচেয়ে কম। কেন্দ্রের হিসেব বলছে, করোনায় মৃত্যুহার কমছে এবং সুস্থতার হার অর্থাৎ রিকভারি রেট বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ সারিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন প্রায় ৪৬ হাজার ১২১ জন কোভিড রোগী। দেশে এখন সুস্থ হয়ে ওঠাদের সংখ্যা ১৩ লাখ ২৮ হাজার ৩৩৬ জন। সুস্থতার হার বেড়েছে ৬৭.৬২%। মহারাষ্ট্রে কোভিড সংক্রমণের হার এখনও বেশি। অন্ধ্রপ্রদেশেও একই ছবি। অন্যদিকে, মেঘালয়, সিকিম, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সংক্রামিতের সংখ্যা হাজারের কম। গাণিতিক হিসেবে গবেষকরা আগেই দাবি করেছিলেন, অগস্টে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়বে দেশে। কারণ এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন রেট তথা ‘আর নম্বর’ ১.১৭ পয়েন্টেই থিতু হয়ে গেছে।  তবে গতকাল বুধবারের হিসেবে দেখা গেছে দেশের এফেক্টিভ আর নম্বর কমেছে ১.১৬ পয়েন্টে। গত ২৬ জুন দেশে আর নম্বর ছিল ১.১১, এরপরে ৭ জুলাই সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৯ পয়েন্টে। ১৩ জুলাই ফের দেখা যায় আর নম্বর কমে গেছে ১.১১ পয়েন্টে। সেই সময় আশা জাগে সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও কমবে। কিন্তু ফের ২০ জুলাই গিয়ে দেখা যায় এই নম্বর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.১৭ পয়েন্টে।  তারপর থেকে আর নম্বর এই ১.১৭ পয়েন্টেই আটকে যায়। দিল্লি, মুম্বই ও চেন্নাই তিন শহরে আর নম্বর একের নিচে নেমে গেছে। সংক্রমণ বৃদ্ধির হারও কমেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আর নম্বর একের নীচে নামলেই করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমে যাবে। সংক্রমণ বৃদ্ধির হারও কমবে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানাচ্ছে, কোভিড টেস্ট অনেক বেড়েছে দেশে। এখনও অবধি করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ কোটি ১৪ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০২টি।  ৪ অগস্ট, মঙ্গলবার দেশজুড়ে কোভিড টেস্ট হয়েছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৬৫২টি। সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৩৪৮টি ল্যাবরেটরিতে কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৯১৪টি সরকারি ও ৪৩৪টি বেসরকারি ল্যাবরেটরি রয়েছে।

```