
শেষ আপডেট: 5 August 2020 18:30
মহারাষ্ট্রে কোভিড সংক্রমণের হার এখনও বেশি। অন্ধ্রপ্রদেশেও একই ছবি। অন্যদিকে, মেঘালয়, সিকিম, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সংক্রামিতের সংখ্যা হাজারের কম।
গাণিতিক হিসেবে গবেষকরা আগেই দাবি করেছিলেন, অগস্টে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়বে দেশে। কারণ এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন রেট তথা ‘আর নম্বর’ ১.১৭ পয়েন্টেই থিতু হয়ে গেছে। তবে গতকাল বুধবারের হিসেবে দেখা গেছে দেশের এফেক্টিভ আর নম্বর কমেছে ১.১৬ পয়েন্টে। গত ২৬ জুন দেশে আর নম্বর ছিল ১.১১, এরপরে ৭ জুলাই সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৯ পয়েন্টে। ১৩ জুলাই ফের দেখা যায় আর নম্বর কমে গেছে ১.১১ পয়েন্টে। সেই সময় আশা জাগে সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও কমবে। কিন্তু ফের ২০ জুলাই গিয়ে দেখা যায় এই নম্বর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.১৭ পয়েন্টে। তারপর থেকে আর নম্বর এই ১.১৭ পয়েন্টেই আটকে যায়। দিল্লি, মুম্বই ও চেন্নাই তিন শহরে আর নম্বর একের নিচে নেমে গেছে। সংক্রমণ বৃদ্ধির হারও কমেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আর নম্বর একের নীচে নামলেই করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমে যাবে। সংক্রমণ বৃদ্ধির হারও কমবে।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানাচ্ছে, কোভিড টেস্ট অনেক বেড়েছে দেশে। এখনও অবধি করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ কোটি ১৪ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০২টি। ৪ অগস্ট, মঙ্গলবার দেশজুড়ে কোভিড টেস্ট হয়েছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৬৫২টি। সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৩৪৮টি ল্যাবরেটরিতে কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৯১৪টি সরকারি ও ৪৩৪টি বেসরকারি ল্যাবরেটরি রয়েছে।