
শেষ আপডেট: 12 December 2022 18:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের ফিরে এল লাদাখ সীমান্তের গালওয়ান সংঘর্ষের স্মৃতি। এবার অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তসংলগ্ন তাওয়াং এলাকায় ভারতীয় সেনাদের আক্রমণ করল চিনের লাল ফৌজ (India China Clash)। কমপক্ষে ৩০ জন সেনার আহত হওয়ার খবর মিলেছে এই সংঘর্ষে।
জানা গেছে, ৯ ডিসেম্বর অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর ভারতীয় এবং চিনা সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সূত্রের খবর, ৯ ডিসেম্বরের প্রাথমিক বচসা সংঘর্ষে গড়িয়েছে। দু'পক্ষেরই কয়েক জন করে সেনা জখম হয়েছেন। সংঘর্ষের পরেই দু'পক্ষের সেনাকেই এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
ভারতীয় সেনাবাহিনী সূত্রের খবর, চিনের লাল ফৌজ নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে চলে এসেছিল ভারতের দিকে। তখনই 'দৃঢ়ভাবে' বাধা দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী, যা সংঘাতের আকার নেয় দ্রুত। ২০২০ সালের জুলাই মাসে গালওয়ানের পর এই প্রথম মুখোমুখি সংঘাতে জড়াল দু'দেশের বাহিনী। সেবারের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন।
গালওয়ানের ঘটনার পর থেকে একাধিক বার বৈঠকে বসেছেন দু'দেশের সেনাকর্তারা। কিন্তু সমস্যার যে পুরোপুরি সমাধান হয়নি, অরুণাচলের ঘটনাই তার প্রমাণ।
যদিও, তাওয়াং সীমান্তে চিনা বাহিনীর এই উৎপাত কিন্তু নতুন নয়। সেই ২০০৬ সাল থেকে সমস্যা চলছে। বরাবরই অরুণাচলের একাংশকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে চিন। বারবার এই অংশে সংঘর্ষেও জড়ায় ভারত ও চিনের সেনা। ২০২১ সালে অক্টোবর মাসেও এই এলাকাতেই ঢুকে পড়েছিল বহু সংখ্যক চিনা সেনা। সেই সময়ও দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধেছিল। তবে সেবার এত মারাত্মক আকার নেয়নি সংঘর্ষ। এবারের সংঘর্ষের জেরে বেশ কয়েক জন ভারতীয় সেনা জখম। তাঁদের চিকিৎসার জন্য গুয়াহাটির হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পরে টুইট করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। মোদী সরকারের সমালোচনা করে তিনি লিখেছেন, দেশের সেনাবাহিনীর নিরাপত্তার চেয়ে তাদের নিয়ে রাজনীতি করতেই ব্যস্ত বিজেপি।