দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারতে এবছর পিঁয়াজের ফলন ভালো হয়নি। দেশের বাজারে যাতে পিঁয়াজের ঘাটতি না দেখা দেয়, সেজন্য রফতানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার ফলে এশিয়া জুড়ে বাড়ছে পিঁয়াজের দাম। কাঠমাণ্ডু থেকে কলম্বো, সর্বত্রই পিঁয়াজের দর আগুন। বাধ্য হয়ে অনেক দেশ এখন মায়ানমার, মিশর, তুরস্ক ও চিন থেকে পিঁয়াজ আমদানি করতে চাইছে। কিন্তু ভারত থেকে প্রতি বছর যে বিপুল পরিমাণ পিঁয়াজ রফতানি হত, সেই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
২০১৮-১৯ সালের আর্থিক বছরে ভারত ২২ লক্ষ টন পিঁয়াজ রফতানি করেছিল। এশিয়ার দেশগুলি বছরে মোট যে পরিমাণ পিঁয়াজ আমদানি করে, তার অর্ধেকের বেশি যায় ভারত থেকে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় এখন এক কেজি পিঁয়াজের দাম স্থানীয় মুদ্রায় ১২০ টাকা। ১৫ দিন আগেও পিঁয়াজের দর ছিল এর অর্ধেক। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশে পিঁয়াজের দর কখনই এত বাড়েনি।
ভারত থেকে পিঁয়াজ রফতানি বন্ধ হওয়ায় অন্যান্য পিঁয়াজ রফতানিকারী দেশগুলিও বাড়িয়ে দিয়েছে দাম। পিঁয়াজের দাম যাতে মাত্রাছাড়া না হয়, সেজন্য বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের মাধ্যমে পিঁয়াজ বিক্রি করা হবে।
শ্রীলঙ্কায় পিঁয়াজের দফাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ। ভারত থেকে আমদফানি করতে না পেরে তারা ইতিমধ্যে মিশর ও চিন থেকে আমদানির চেষ্টা করছে। অন্যান্য দেশ আশা করছে, ভারত শীঘ্র পিঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। ভারত থেকে যত দেশ পিঁয়াজ কেনে, তার অন্যতম মালয়েশিয়া। সেদেশের কৃষি দফতরের উপমন্ত্রী সিম জে জিন বলেন, আমরা আশা করি ভারত থেকে পিঁয়াজ রফতানিতে যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে তা সাময়িক।