Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রবল অসাম্য ভারতে, ১ শতাংশের হাতে ২২ শতাংশ সম্পদ, জানালেন অর্থনীতিবিদরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দারিদ্র ও অসাম্য (Poverty and ineqality)। এই দু'টি সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করেছে ভারতে। দেশের এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে জমা হয়েছে মোট জাতীয় আয়ের প্রায় এক পঞ্চমাংশ। সবচেয়ে দরিদ্র জনতার ৫০ শতাংশের হাতে আছে দেশের মাত্র ১৩ শতাংশ

প্রবল অসাম্য ভারতে, ১ শতাংশের হাতে ২২ শতাংশ সম্পদ, জানালেন অর্থনীতিবিদরা

শেষ আপডেট: 8 December 2021 05:09

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দারিদ্র ও অসাম্য (Poverty and ineqality)। এই দু'টি সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করেছে ভারতে। দেশের এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে জমা হয়েছে মোট জাতীয় আয়ের প্রায় এক পঞ্চমাংশ। সবচেয়ে দরিদ্র জনতার ৫০ শতাংশের হাতে আছে দেশের মাত্র ১৩ শতাংশ সম্পদ। 'ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি রিপোর্ট ২০২২' নামে এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গিয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি ল্যাব নামে এক সংস্থা প্রস্তুত করেছে ওই রিপোর্ট। তাতে বলা হয়েছে, যে দেশগুলিতে অসাম্য সবচেয়ে বেশি, তাদের অন্যতম হল ভারত। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয়ের বার্ষিক গড় আয় ২ লক্ষ ৪ হাজার ২০০ টাকা। দেশের দরিদ্র ৫০ শতাংশ মানুষের বার্ষিক আয় ৫৩ হাজার ৬১০ টাকা। অর্থনীতির শীর্ষে থাকা ১০ শতাংশের আয় তার ২০ গুণ। দেশের ধনীতম ১০ শতাংশের হাতে আছে ৫৭ শতাংশ সম্পদ। এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে আছে ২২ শতাংশ সম্পদ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত দরিদ্র দেশ বটে কিন্তু তার এলিট শ্রেণির হাতে সম্পদের পরিমাণ কম নয়। অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, ভারতে প্রত্যেক পরিবারের বার্ষিক গড় আয় ৯ লক্ষ ৮৩ হাজার ১০ টাকা। এই অসাম্যের জন্য দায়ী করা হয়েছে আর্থিক উদারনীতিকে। রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আটের দশকের মাঝামাঝি থেকে সরকার অর্থনীতির নানা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ তুলে দিতে থাকে। এর ফলে ভারতে আর্থিক অসাম্য প্রবল বৃদ্ধি পায়। একইসঙ্গে রিপোর্টে বলা হয়, ভারতে লিঙ্গবৈষম্যও যথেষ্ট বেশি। মহিলা কর্মীদের আয় পুরুষদের তুলনায় মাত্র ১৮ শতাংশ। চিন বাদে এশিয়ার অন্যত্র মহিলাদের আয় পুরুষদের ২১ শতাংশ। সেই নিরিখে বলা হয়, ভারতীয় মহিলাদের আয় এশীয় মহিলাদের গড় আয়ের চেয়ে কম। 'দি ওয়ার্ল্ড ম্যাপ অব ইনইকুয়ালিটিস' অনুযায়ী, কোনও দেশের নাগরিকদের গড় আয় দেখে বোঝা যায় না সেখানে কেমন অসাম্য রয়েছে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, মার্কিন নাগরিকদের গড় আয় সন্তোষজনক হলেও সেখানে অসাম্য খুবই বেশি। সুইডেনের মতো দেশে অসাম্য তুলনায় কম। দরিদ্র দেশগুলির মধ্যে অসাম্য সবচেয়ে বেশি ভারত ও ব্রাজিলে। চিনেও অসাম্য কম নয়। অন্যদিকে মালয়েশিয়া বা উরুগুয়েতে অসাম্য তুলনামূলকভাবে কম। অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, আটের দশক থেকে বিশ্ব জুড়েই বেড়েছে অসাম্য। ওই সময় থেকে বিভিন্ন দেশ আর্থিক উদারনীতি অনুসরণ করে। তবে সব দেশে অসাম্য একই হারে বৃদ্ধি পায়নি। যে দেশগুলিতে অসাম্য সবচেয়ে বেড়েছে, তাদের মধ্যে আছে আমেরিকা, রাশিয়া ও ভারত। পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে অসাম্য অত ব্যাপক হারে বাড়েনি।

```