দ্য ওয়াল ব্যুরো: আদিবাসী কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরে খুন হতে হলো এক মুসলিম কিশোরকে। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের আঙ্কলেশ্বরের ঝাগারিয়া তেহশিলে। একদল যুবক লাঠি ও পাইপ দিয়ে নৃশংস ভাবে মারে ফৈয়াজ নামে ১৭ বছরের ওই কিশোরকে। গুরুতর জখম যুবককে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। গণপিটুনিতে তার লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পাঁজর ভেঙে যায়, হাত-পাও ভেঙে যায়। সুরাতের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
তবে এই ঘটনাকে হিন্দু-মুসলিম সমস্যা বলে মানতে রাজি নন ফৈয়াজের বাবা-মা। তাঁদের মতে, ছেলে তাদের মাত্র ১৭ বছরের. সে কী এমন অপরাধ করেছিল, যে তাকে পিটিয়ে মারা হলো। কত জন মিলে ফৈয়াজকে মেপেছে, তা তাঁরা জানেন না। তবে ছেলের এই ভাবে হত্যার বিচার চেয়েছেন তাঁরা।
ফৈয়াজের বাবা জানান, গত ২৪ জুলাই পাঁচ বন্ধুর সঙ্গে তাঁর ছেলে আঙ্কলেশ্বর গেছিল। সেই সময় তাঁর স্ত্রী ছেলেকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেন সে কোথায়। ফৈয়াজ জানায় সে কোথায়, এবং মাকে বোরিদ্রাতে এসে তাকে নিয়ে যেতে বলে। ফৈয়াজের বাবা তাকে আনতে গিয়ে দেখেন, গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে তাঁর ছেলে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে সুরাতে অন্য একটি হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি।
আঙ্কলেশ্বরের ডেপুটি এসপি এল এ ঝালা ঘটনার কথা জানিয়ে বলেন, একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।