
শেষ আপডেট: 14 August 2020 18:30
সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে এই অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম। আকাশপথে ২.৫ কিলোমিটার অবধি লক্ষ্য স্থির করতে পারে এই ড্রোন। শত্রুপক্ষের ড্রোন আকাশেই চিহ্নিত করে নিমেষে ধ্বংস করে দিতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিস্টেম যেমন বিপক্ষের ড্রোন চিহ্নিত করতে পারে তেমনি আকাশে তিন কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যে মাইক্রো-ড্রোনের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দিতেও পারে। লেজার রশ্মি ছুড়ে যে কোনও আধুনিক প্রযুক্তির ড্রোনকে ঘায়েল করতে পারে ডিআরডিও-র তৈরি এই অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম।
জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) জানাচ্ছে, গত কয়েকমাসে ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে জঙ্গিরা। ভারতীয় সেনা ক্যাম্পের উপর নজরদারি চালানো, উপত্যকার জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার জন্য ড্রোনের সাহায্যই নিচ্ছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলি। কয়েকমাস আগেও পাঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ও অস্ত্র পাচার করা প্রায় রুটিনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। ভারতীয় সেনার তৎপরতায় ড্রোনের আনাগোনা কিছুটা কমলেও বন্ধ হয়নি। সশস্ত্র ড্রোন ভারতীয় আকাশসীমায় পাঠানোর জন্য নানা ফন্দি-ফিকির খুঁজছে পাক জঙ্গিরা। তাই শত্রুপক্ষের ড্রোন-ধ্বংসকারী আরও উন্নত প্রযুক্তিরই দরকার ছিল বলে জানিয়েছে ডিআরডিও।
সীমান্তে নজরদারি চালানোর জন্য ভারতের হাতে এখন আছে হাল্কা ওজনে নেত্র। এই ইউএভি দেড় কিলোগ্রাম ওজনের, প্রায় আড়াই কিলোমিটার রেঞ্জ অবধি কাজ করতে পারে। এর থার্মাল ক্যামেরা, বিশেষ জুমিং সিস্টেম দিনে-রাতে যে কোনও সময় ছবি শত্রু ঘাঁটির ছবি তুলে আনতে পারে।
হাই স্পিড এক্সপ্যানডেবল এরিয়াল টার্গেট (এইচইএটি ) ‘অভ্যাস’ ড্রোনও রয়েছে ডিআরডিও-র হাতে। এই ড্রোনে রয়েছে অটোপাইলট সিস্টেম।আর এই সিস্টেমকে কাজে লাগিয়েই লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁত ভাবে নিশানা করা যায়।‘লক্ষ্য’ ড্রোনের মতোই প্রোটোটাইপ অভ্যাস ড্রোনের। ‘লক্ষ্য’ হল হাই স্পিড টার্গেট ড্রোন। এটি তৈরি করে ডিআরডিও-র অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এসটাব্লিশমেন্ট (এডিই)।